Advertisement

#

নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি: চাল-তেল-ডিমের বাজারে আগুন, সিন্ডিকেটের কারসাজি অব্যাহত


আজ রবিবার, ১৩ই বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৬ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই যিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি: চাল-তেল-ডিমের বাজারে আগুন, সিন্ডিকেটের কারসাজি অব্যাহত

নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি — চাল থেকে মাংস, সবকিছুর ঊর্ধ্বমুখী গ্রাফ | Dhaka News

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির অজুহাতে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি অব্যাহত। চালের কেজি ৫ টাকা বেড়েছে, সয়াবিন তেল উধাও, ডিম ডজন ১৩০ টাকা। সিন্ডিকেট কারসাজি নিয়ন্ত্রণে সরকারের নীতিগত পদক্ষেপ দরকার।

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব ও অসাধু ব্যবসায়ী চক্রের কারসাজিতে রাজধানীর বাজার এখন টালমাটাল। চাল থেকে শুরু করে ডাল, ভোজ্যতেল, ডিম, মাছ ও মাংস—সবকিছুর দামই ঊর্ধ্বমুখী। নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির এই হার নিম্ন ও মধ্যবিত্তের মাসিক বাজেট ছিন্নভিন্ন করে দিচ্ছে। দরিদ্র পরিবারগুলো নিত্যদিনের দু'বেলা খাবার জোগাড়েই হিমশিম খাচ্ছে।

Bangladesh local market rice oil eggs price hike frustrated consumers inflation crisis
নিত্যপণ্যের বাজারে আগুন—চাল, তেল ও ডিমের লাগামহীন দামে চাপে সাধারণ মানুষ, সিন্ডিকেটের কারসাজির অভিযোগ জোরালো।


চালের বাজার: অজুহাত আর বাস্তবতা

কাওরান বাজারের আল্লাহর দান রাইস এজেন্সির মালিক মো. সিদ্দিকুর রহমান জানান, মিল মালিকরা জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির অজুহাতে চালের দাম বাড়িয়েছেন। যুক্তিসঙ্গতভাবে ধান থেকে চাল প্রক্রিয়ায় খরচ বাড়লে কেজিতে ২-৩ টাকা বাড়তে পারে। কিন্তু বাস্তবে ৫-৬ টাকা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। পাইকারি পর্যায়ের এই অতিরিক্ত দাম সরাসরি খুচরা বাজারে প্রভাব ফেলেছে।

রাজধানীর খুচরা বাজারে গরিবের মোটা চাল—স্বর্ণা জাত—কেজি ৫৫-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগেও ৫ টাকা কম ছিল। পাইজাম চাল ৬০-৬৮ টাকা এবং মিনিকেট চাল ৩ টাকা বেড়ে ৮৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সয়াবিন তেল: বাজার থেকে উধাও

দেশের ভোজ্যতেল বাজারে এক প্রকার নৈরাজ্য চলছে। সরকারের সঙ্গে বৈঠকের পরও প্রভাবশালী ব্যবসায়ীরা বোতলজাত সয়াবিন তেল বাজারে সরবরাহ করছেনা। ফলে বোতলজাতেল প্রায় অপ্রাপ্য হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে চাহিদা বাড়ায় খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৩৪ টাকা বেড়ে ২১০ টাকায় ঠেকেছে।

জিঞ্জিরা কাঁচাবাজারের মুদি ব্যবসায়ী সাগর বলেন, 'হাতেগোনা কয়েকটি কোম্পানি তেলের ব্যবসা করে। তারা নিজেদের মতো করে দাম বাড়ায়। এবারও আরেক দফা দাম বাড়াতে বোতলজাত সয়াবিন সরবরাহ বন্ধ রেখেছে। তেল সরবরাহ করলেও বোতলের গায়ে খুচরা এমআরপিতে বিক্রি করছে। তাহলে আমরা ক্রেতাদের কাছে কোন দামে বিক্রি করব?'

আরও পড়ুন > মন্ত্রী সাহেব, প্রশংসা একটু কম কইরেন।


ডিম, মাছ ও মাংসের বাজার

খুচরা বাজারে ফার্মের ডিম ডজনপ্রতি ১০ টাকা বেড়ে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগি কেজি ১৮০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩৬০ টাকা, গরুর মাংস ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারেও প্রতি কেজিতে ১০-৩০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। পাঙাশ ২৩০ টাকা, ১.২ কেজি ওজনেরুই ৩৪০-৩৭০ টাকা এবং দুই কেজির বেশি ওজনেরুই ৪২০-৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবজির বাজারে বেশির ভাগ পণ্য ৮০-১০০ টাকার ওপরে।

সিন্ডিকেট ভাঙার কৌশল কী?

অর্থনীতিবিদ এম কে মুজেরী যুগান্তরকে বলেন, 'সিন্ডিকেটের সক্রিয় সদস্য কারা, তা সরকারকে আগে বের করতে হবে। উৎপাদনকারী থেকে ভোক্তা পর্যন্ত পণ্য পৌঁছাতে যেসব পর্যায়ে হাতবদল হয়, সেখানে কারা শক্তিশালী—তাদের চিহ্নিত করতে হবে। তাদের ক্ষমতা নষ্ট করলে সিন্ডিকেট ভাঙা সহজ হবে।'

তিনি আরও বলেন, 'খুচরা পর্যায়ে তদারকি জোরদার হয়েছে, জরিমানাও হচ্ছে। কিন্তু যারা ক্ষমতাশালী, তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে। মিল পর্যায়ে কে কত দামে কিনছে, কত খরচে উৎপাদন করছে—তা বের করা সরকারের জন্য সহজ।'

সরকারের অবস্থান

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সম্প্রতি বলেছেন, বর্তমান সরকারের মেয়াদেই বাজার সিন্ডিকেট মুছে দেওয়া হবে। তবে ক্যাবের সহসভাপতি এসএম নাজের হোসাইনের মতে, 'তদারকি সংস্থা জানে কারা দাম বাড়াচ্ছে, কী পন্থায়। লাগাম দৃশ্যমান। টান দিলেই সব ঠিক হবে। কিন্তু কেন তা করা হচ্ছে না—এটাই প্রশ্ন।'

 নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি: চাল-তেল-ডিমের বাজারে আগুন, সিন্ডিকেটের কারসাজি অব্যাহত

ঢাকা ডেস্ক: জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব ও অসাধু ব্যবসায়ী চক্রের কারসাজিতে রাজধানীর বাজার এখন টালমাটাল। চাল থেকে শুরু করে ডাল, ভোজ্যতেল, ডিম, মাছ ও মাংস—সবকিছুর দামই ঊর্ধ্বমুখী। নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির এই ধারাবাহিকতায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো চরম অস্বস্তিতে ভুগছে। দরিদ্ররা নিত্যদিনের খাবার জোগাড়েই হিমশিম খাচ্ছেন।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, আগের মতোই সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি দেশের সব শ্রেণির ভোক্তা। বিগত শেখ হাসিনা সরকার ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ও সিন্ডিকেট কারসাজি ভাঙা যায়নি। বর্তমান সরকার আশ্বাস দিলেও প্রত্যাশিত ফল আসছে না।

চালের বাজারে অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি

রাজধানীর খুচরা বাজারে গরিবের মোটা চাল—স্বর্ণা জাত—কেজি ৫৫-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগেও ৫ টাকা কম ছিল। পাইজাম চাল কেজি ৬০-৬৮ টাকা এবং মিনিকেট চাল ৩ টাকা বেড়ে ৮৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডালের কেজি ১৬০ টাকা ছুঁয়েছে।

কাওরান বাজারের আল্লাহর দান রাইস এজেন্সির মালিক মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, 'মিল মালিকরা জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির অজুহাতে চালের দাম বাড়িয়েছেন। ধান থেকে চাল প্রক্রিয়ায় খরচ বাড়লে কেজিতে ২-৩ টাকা বাড়ার কথা। কিন্তু ৫-৬ টাকা বাড়ানো হয়েছে।'

তিনি আরও বলেন, 'সরকার পাইকারি ও খুচরা বাজারে অভিযান পরিচালনা করলেও মিল পর্যায়ে প্রভাবশালীদের কিছু করতে পারছে না। শেখ হাসিনার সরকারের সময় পারেনি, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও কিছু হয়নি। সব দায় আমাদের মতো ব্যবসায়ীদের ওপর চাপানো হচ্ছে। আমাদের জরিমানা গুনতে হচ্ছে।'

 সয়াবিন তেল নিয়ে নৈরাজ্য

দেশের বাজারে সয়াবিন তেল নিয়ে এক প্রকার নৈরাজ্য চলছে। সরকারের সঙ্গে বৈঠকের পরও ভোজ্যতেলের প্রভাবশালী ব্যবসায়ীরা বোতলজাত সয়াবিন তেল সরবরাহ করছেনা। ফলে বাজার থেকে প্রায় উধাও হয়ে গেছে বোতলজাত সয়াবিন তেল। অন্যদিকে চাহিদা বাড়ায় খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৩৪ টাকা বেড়ে ২১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীর জিঞ্জিরা কাঁচাবাজারের মুদি ব্যবসায়ী সাগর বলেন, 'হাতেগোনা কয়েকটি কোম্পানি তেলের ব্যবসা করে। তারা নিজেদের মতো করে দাম বাড়ায়। সরকারকে চাপ দিয়ে নানা সুবিধা নেয়। এবারও তারা আরেক দফা দাম বাড়াতে বোতলজাত সয়াবিন সরবরাহ বন্ধ রেখেছে। তেল সরবরাহ করলেও বোতলের গায়ে খুচরা এমআরপিতে আমাদের কাছে বিক্রি করছে। তাহলে আমরা ক্রেতাদের কাছে কোন দামে বিক্রি করব?'

তিনি আরও জানান, 'তেলের সমস্যা হলে আমাদের মতো ব্যবসায়ীদের কাছে আসে তদারকি টিম। কিন্তু যারা কারসাজি করে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়িয়েছে, তাদের কাছে যেতে সাহসই করে না।'

 ডিম, মাছ-মাংসের দাম নাগালের বাইরে

খুচরা বাজারে ফার্মের ডিম ডজনপ্রতি ১০ টাকা বেড়ে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগে ১২০ টাকা ছিল। ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৮০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩৬০ টাকা। গরুর মাংস কেজি ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারেও প্রতি কেজিতে ১০-৩০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। পাঙাশ ২৩০ টাকা, ১.২ কেজি ওজনেরুই ৩৪০-৩৭০ টাকা এবং দুই কেজির বেশি ওজনেরুই ৪২০-৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে—যা সপ্তাহের ব্যবধানে ৩০-৫০ টাকা বেড়েছে। সবজির বাজারে বেশির ভাগ পণ্যই কেজিপ্রতি ৮০-১০০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে।

 বিশেষজ্ঞদের মতামত: অর্থনীতিবিদ এম কে মুজেরী বলেন, 'সিন্ডিকেটের সক্রিয় সদস্য কারা, তা সরকারকে আগে বের করতে হবে। উৎপাদনকারী বা আমদানিকারক থেকে পণ্য ভোক্তা পর্যন্ত পৌঁছাতে কয়েকবার হাতবদল হয়। এ পর্যায়ে যারা শক্তিশালী এবং যাদের প্রভাবেশি, তারা নিজ স্বার্থে পণ্যের দাম বাড়ায়। তাদের চিহ্নিত করতে হবে।'

তিনি আরও বলেন, 'খুচরা পর্যায়ে তদারকি জোরদার হয়েছে, জরিমানাও হচ্ছে। কিন্তু যারা ক্ষমতাশালী, তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। মিল পর্যায়ে কে কত দামে উৎপাদন করছে, কত খরচ হচ্ছে, কত দামে বিক্রি করছে—তা সরকারের বের করা সহজ। সেখানে অনিয়ম পেলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।'

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এসএম নাজের হোসাইন বলেন, 'কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কাছে জিম্মি সাধারণ ভোক্তা। তদারকি সংস্থা জানে কারা কোন পণ্যের দাম বাড়াচ্ছে, কী পন্থায়। লাগামও দৃশ্যমান। টান দিলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু কেন তা করা হচ্ছে না।'

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, বর্তমান সরকারের মেয়াদেই বাজার সিন্ডিকেট মুছে দেওয়া হবে। তবে আয়ের সঙ্গে ব্যয় সামলাতে না পেরে সাধারণ মানুষ এখন নীতিগত সমাধান চায়।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ালে চালের কেজিতে ২-৩ টাকা বাড়ার কথা—কিন্তু বাস্তবে বাড়ছে ৫-৬ টাকা। বাকিটা কোথায় যাচ্ছে?

সরকার খুচরা বাজারে অভিযান চালাচ্ছে, জরিমানাও দিচ্ছে—কিন্তু যারা মিল পর্যায়ে দাম বাড়াচ্ছে, তারা থাকছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। কেন?

বাজারে সয়াবিন তেলের সরবরাহ কি স্বাভাবিক রয়েছে?

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির অজুহাতে নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী। চালে কেজিতে ৫ টাকা, ডিমে ডজনে ১০ টাকা বেড়েছে। সয়াবিন তেল উধাও, খোলা তেল ২১০ টাকা লিটার। সিন্ডিকেট ভাঙতে সরকারের নীতিগত পদক্ষেপের দাবি বিশেষজ্ঞদের।

বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কী ধরনের নীতিগত পদক্ষেপ্রয়োজন বলে আপনি মনে করেন?

চালের কেজি ৫ টাকা বেড়েছে, সয়াবিন তেল উধাও, ডিম ডজন ১৩০ টাকা! জ্বালানি তেলের অজুহাতে সিন্ডিকেটের কারসাজিতে নিত্যপণ্যের বাজারে আগুন। বিস্তারিত পড়ুন Dhaka News।

অর্থনৈতিক প্রভাব: নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। মাসিক বাজেটের ৬০-৭০ শতাংশই এখন খাদ্যপণ্যে খরচ হচ্ছে।

সামাজিক প্রভাব: পুষ্টিহীনতা বাড়ার আশঙ্কা। দরিদ্র পরিবারগুলো সবজি ও মাছ-মাংস কম কিনে শুধু ভাত-ডালের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে।

ব্যবসায়িক প্রভাব: খুচরা ব্যবসায়ীরা দ্বৈত চাপে আছেন—একদিকে পাইকারি দাম বেশি, অন্যদিকে ক্রেতার ক্ষোভ সহ্য করতে হচ্ছে।

রাজনৈতিক প্রভাব: বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা সরকারের জনমতে প্রভাব ফেলছে। ভোক্তাদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে।

প্রশ্ন: জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির যৌক্তিক সম্পর্ক কতটুকু?

উত্তর: যৌক্তিকভাবে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে পরিবহন ও উৎপাদন খরচ কিছুটা বাড়ে। ধান থেকে চাল প্রক্রিয়ায় কেজিতে ২-৩ টাকা বাড়ার কথা বলছেন ব্যবসায়ীরাও। কিন্তু বাস্তবে ৫-৬ টাকা বাড়ানো হচ্ছে, যা সিন্ডিকেটের অতিরিক্ত লাভের প্রমাণ বহন করে।

প্রশ্ন: সরকার কি বাজার নিয়ন্ত্রণে কোনো পদক্ষেপই নিচ্ছে না?

উত্তর: সরকার খুচরা বাজারে তদারকি অভিযান পরিচালনা করছে এবং অসংগতিতে জরিমানা করছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সমস্যার মূল রয়েছে মিল ও আমদানি পর্যায়ে, যেখানে প্রভাবশালী ব্যবসায়ীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছেন।

নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি এখন শুধু অর্থনৈতিক সমস্যা নয়, এটি জনজীবনের বাস্তব সংকট। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব যৌক্তিক হলেও, তার অপব্যবহার করে অসাধু চক্র যে অতিরিক্ত লাভ হাসিল করছে—তা রোধ করাই এখন সরকারের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ। অর্থনীতিবিদদের পরামর্শ স্পষ্ট: খুচরা পর্যায়ের বদলে মিল ও আমদানি পর্যায়ে তদারকি জোরদার করতে হবে, সিন্ডিকেটের শক্তিশালী সদস্যদের চিহ্নিত করতে হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। আশা করা যায়, বাণিজ্যমন্ত্রীর ঘোষণা কথায় না থেকে কাজে পরিণত হবে। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, 'আর মানুষের মাল-সম্পদে অন্যায়ভাবে তোমরা একে অন্যের অংশ ভোগ করো না' (সূরা বাকারাহ: ১৮৮)। বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের নৈতিক ও আইনি দায়িত্ব দুটোই সমানভাবে বহন করতে হবে।

নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে আপনার এলাকায় পরিস্থিতি কেমন? মন্তব্যে জানান আপনার অভিজ্ঞতা। আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন এবং নিয়মিত আপডেট পেতে Dhaka News সাবস্ক্রাইব করুন।

চাল-তেল-ডিম সব চড়া! সিন্ডিকেটের কারসাজিতে নিত্যপণ্যের বাজারে আগুন

News Article JSON-LD

Jason

{

  "@context": "https://schema.org",

  "@type": "News Article",

  "headline": "নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি: চাল-তেল-ডিমের বাজারে আগুন, সিন্ডিকেটের কারসাজি অব্যাহত",

  "description": "জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির অজুহাতে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি অব্যাহত। চালের কেজি ৫ টাকা বেড়েছে, সয়াবিন তেল উধাও, ডিম ডজন ১৩০ টাকা।",

  "image": "https://mirpurhdakanewsbd.blogspot.com/images/nittyoponnodher-dom-borddho.jpg",

  "date Published": "2025-07-12T08:00:00+06:00",

  "date Modified": "2025-07-12T08:00:00+06:00",

  "author": {

    "@type": "Person",

    "name": "Dhaka News Desk",

    "URL": "https://mirpurhdakanewsbd.blogspot.com/"

  },

  "publisher": {

    "@type": "Organization",

    "name": "Dhaka News",

    "logo": {

      "@type": "Image Object",

      "URL": "https://mirpurhdakanewsbd.blogspot.com/logo.png"

    }

  },

  "mainEntityOfPage": {

    "@type": "Webpage",

    "@id": "https://mirpurhdakanewsbd.blogspot.com/nittyoponnodher-dom-borddho-chal-tel-dimer-bazar"

  },

  "article Section": "অর্থনীতি",

  "in Language": "BBD"

}

 Breadcrumb JSON-LD

Jason

{

  "@context": "https://schema.org",

  "@type": "Breadcrumb List",

  "itemListElement": [

    {

      "@type": "List Item",

      "position": 1,

      "name": "হোম",

      "item": "https://mirpurhdakanewsbd.blogspot.com/"

    },

    {

      "@type": "List Item",

      "position": 2,

      "name": "অর্থনীতি",

      "item": "https://mirpurhdakanewsbd.blogspot.com/search/label/অর্থনীতি"

    },

    {

      "@type": "List Item",

      "position": 3,

      "name": "নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি: চাল-তেল-ডিমের বাজারে আগুন",

      "item": "https://mirpurhdakanewsbd.blogspot.com/nittyoponnodher-dom-borddho-chal-tel-dimer-bazar"

    }

  ]

}

 Organization JSON-LD

Jason

{

  "@context": "https://schema.org",

  "@type": "Organization",

  "name": "Dhaka News",

  "URL": "https://mirpurhdakanewsbd.blogspot.com/",

  "logo": {

    "@type": "Image Object",

    "URL": "https://mirpurhdakanewsbd.blogspot.com/logo.png",

    "width": 600,

    "height": 60

  },

  "sambas": [

    "https://www.facebook.com/DhakaNewsBD",

    "https://twitter.com/DhakaNewsBD"

  ],

  "contact Point": {

    "@type": "Contact Point",

    "contact Type": "editorial",

    "available Language": ["in", "en"]

  }

}


 Website JSON-LD

Jason

{

  "@context": "https://schema.org",

  "@type": "Website",

  "name": "Dhaka News",

  "URL": "https://mirpurhdakanewsbd.blogspot.com/",

  "potential Action": {

    "@type": "Search Action",

    "target": "https://mirpurhdakanewsbd.blogspot.com/search?q={search_term_string}",

    "query-input": "required name=search_term_string"

  },

  "in Language": "BBD"

}

```

Post a Comment

0 Comments