বিএনপি নেতা তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান দুর্নীতির মামলায় হাইকোর্টে জামিন পেয়েছেন। বিস্তারিত জানুন মামলার পটভূমি ও আপিল গ্রহণ নিয়ে।
হাইকোর্টে জামিন পেলেন জোবাইদা রহমান, গ্রহণ করা হয়েছে আপিল

হাইকোর্টে জামিন জোবাইদা রহমান,
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপনের মামলায় তিন বছরের সাজা প্রাপ্ত হলেও, হাইকোর্ট তাকে জামিন দিয়েছেন। একইসঙ্গে তার দায়ের করা আপিলও শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়েছে, যা এই মামলায় আইনি প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।
১৪ মে (বুধবার), বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানের একক বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালতে ডা. জোবাইদার পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এস এম শাহজাহান ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তাদের সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম, মাকসুদ উল্লাহ ও জাকির হোসেন।
মামলার পটভূমি
২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) রাজধানীর কাফরুল থানায় মামলা করে তারেক রহমান, ডা. জোবাইদা রহমান ও তার মা সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানুর বিরুদ্ধে। অভিযোগে বলা হয়, তারা জ্ঞাত আয়ের বাইরে সম্পদ অর্জন করেছেন এবং সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন।
২০২৩ সালের ২ আগস্ট মামলারায়ে ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের তৎকালীন বিচারক মো. আছাদুজ্জামান তারেক রহমানকে দুটি ধারায় ৯ বছরের কারাদণ্ড এবং ৩ কোটি টাকা জরিমানা করেন। অপরদিকে, ডা. জোবাইদা রহমানকে তিন বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৩৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
তিনি দণ্ডিত হন দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ২৭(১) ধারায়।
সাজা স্থগিত ও দেশে প্রত্যাবর্তন
২০২4 সালের শেষ দিকে সরকারে আবেদন করে তিনি তার সাজা এক বছরের জন্য স্থগিত করতে সক্ষম হন। গেজেটে উল্লেখ করা হয়, আপিল করার সুযোগ দিতে এই সাজার স্থগিতাদেশ প্রদান করা হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায়, ৬ মে তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং পরবর্তীতে হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন, যা ৫৮৭ দিনের বিলম্ব সত্ত্বেও আদালত গ্রহণযোগ্য মনে করে।
FAQ (প্রশ্নোত্তর)
প্রশ্ন: ডা. জোবাইদা রহমান কোন মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হন?
উত্তর: তিনি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের করা মামলায় দণ্ডিত হন।
প্রশ্ন: তার সাজা কত বছরের ছিল?
উত্তর: আদালত তাকে তিন বছরের কারাদণ্ড এবং ৩৫ লাখ টাকা জরিমানা করে।
প্রশ্ন: হাইকোর্টে তার বর্তমান অবস্থা কী?
উত্তর: হাইকোর্ট তাকে জামিন দিয়েছেন এবং তার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন।
প্রশ্ন: তিনি কবে দেশে ফেরেন?
উত্তর: তিনি ২০২৫ সালের ৬ মে দেশে ফেরেন।
প্রশ্ন: তার আপিল গ্রহণে কী বাধা ছিল?
উত্তর: আপিল দাখিলে ৫৮৭ দিনের বিলম্ব ছিল, যা হাইকোর্ট মার্জনা করেছেন।
0 Comments