Advertisement

0

১৫ মিনিটের বিরতির গুরুত্ব শরীর প্রসারিত ও নড়াচড়ার মাধ্যমে স্বাস্থ্য রক্ষা করুন

 


১৫ মিনিটের বিরতির গুরুত্ব: শরীর প্রসারিত ও নড়াচড়ার মাধ্যমে স্বাস্থ্য রক্ষা করুন

লেখক: Md. Nauru Islam

মেটা ডেসক্রিপশন:

১৫ মিনিটের বিরতি নিয়ে শরীর প্রসারিত ও নড়াচড়া করুন, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য এটি কেন জরুরি জানুন।


১৫ মিনিটের বিরতির গুরুত্ব ১৫ মিনিটের বিরতির গুরুত্ব

ভূমিকা:

দিনভর কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করার ফলে আমাদের শরীর ও মন ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তাই ১৫ মিনিটের বিরতি নিয়ে শরীর প্রসারিত ও নড়াচড়া করা শুধু স্বস্তি দেয় না, বরং দীর্ঘমেয়াদে সুস্থাকার অন্যতম উপায়। গবেষণায় দেখা গেছে, ছোট বিরতি এবং হালকা ব্যায়াম শরীরের নমনীয়তা বাড়ায়, রক্তসঞ্চালন ঠিক রাখে এবং মানসিক চাপ কমায়।

 কেন ১৫ মিনিটের বিরতি গুরুত্বপূর্ণ?

অবিরাম কাজ করলে শরীরের পেশী শক্ত হয়ে যায় এবং স্নায়ুতন্ত্রের উপর চাপ পড়ে। ১৫ মিনিটের ছোট বিরতি মস্তিষ্ককে সতেজ রাখে, উৎপাদনশীলতা বাড়ায় এবং চোখের চাপ কমায়।

 অফিসে বসে থাকা জীবনের ঝুঁকি

অতিরিক্ত সময় বসে থাকা ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা এবং হার্টেরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। ১৫ মিনিটের বিরতি এসব ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

 শরীর প্রসারণের সহজ ব্যায়াম

আপনি সহজ কিছু স্ট্রেচ করতে পারেন, যেমন—হাত ওপরে তুলে টানুন, ঘাড় ঘুরিয়ে নিন, কাঁধ শিথিল করুন। এতে পেশীর চাপ কমবে।

 চোখের যত্নে বিরতির ভূমিকা

কম্পিউটার স্ক্রিনের দিকে দীর্ঘসময় তাকালে চোখে ক্লান্তি আসে। ১৫ মিনিটের বিরতি নিয়ে দূরে তাকানো বা চোখ বন্ধ করা চোখের সুস্থতার জন্য জরুরি।

 মানসিক চাপ কমাতে বিরতি কতটা কার্যকর?

শরীর প্রসারণ ও হালকা নড়াচড়া করলেই এন্ডোরফিন হরমোনিঃসরণ হয়, যা মানসিক চাপ কমায়। ফলে কাজের প্রতি মনোযোগ বাড়ে।

কার্যকর ১৫ মিনিটের বিরতির পরিকল্পনা

বিরতির সময় ৫ মিনিট হাঁটুন, ৫ মিনিট স্ট্রেচ করুন এবং বাকি ৫ মিনিট পানি পান ও গভীর শ্বাস-প্রশ্বাস নিন। এভাবে শরীর ও মন উভয়ই সতেজ থাকবে।

উপসংহার

১৫ মিনিটের বিরতি নেওয়া কোনো সময় নষ্ট নয়, বরং এটি সুস্থ ও সক্রিয় থাকার মূল চাবিকাঠি। নিয়মিত ছোট বিরতি নিয়ে শরীর প্রসারণ করুন এবং দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন নিশ্চিত করুন।

প্রশ্নোত্তর (FAQ)

প্রশ্ন ১: কতক্ষণ পর ১৫ মিনিটের বিরতি নেওয়া উচিত?

উত্তর: প্রতি ১-২ ঘণ্টা কাজের পর ১৫ মিনিটের বিরতি নিলে শরীর ও মন উভয়ই সুস্থাকে।

প্রশ্ন ২: বিরতির সময় কী ধরনের ব্যায়াম করা উচিত?

উত্তর: হালকা স্ট্রেচিং, ঘাড় ও কাঁধের ব্যায়াম এবং হাঁটাহাঁটি সবচেয়ে ভালো।

প্রশ্ন ৩: এটি কি অফিসে বসে করা সম্ভব?

উত্তর: অবশ্যই। বেশিরভাগ স্ট্রেচিং ব্যায়াম অফিস ডেস্কেই করা যায়।





কীওয়ার্ড: ১৫ মিনিটের বিরতি, শরীর প্রসারিত, স্বাস্থ্য টিপস, অফিস ব্যায়াম

Post a Comment

0 Comments