শিরোনাম (Title)
বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা না রাজনীতি? কেন পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ
সংগৃহীত মেটা বিবরণ (Meta Description)
চীন, জাপান, ইউরোপ ও আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা ও উদ্ভাবনে বিশ্বনেতা। অথচ বাংলাদেশে দলীয় রাজনীতিতে ডুবে যাচ্ছে উচ্চশিক্ষা। কেন এই অবস্থা?
![]() |
| বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা না রাজনীতি কেন পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ |
বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশ্বমানের শিক্ষা ব্যবস্থার তফাত
চীনের বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলে দেখা যাবে—ছাত্র-শিক্ষকরা দিন-রাত গবেষণা আর শিক্ষাকাজে ব্যস্ত। রাজনীতি তো দূরের কথা, ফালতু আলাপ বা সময় নষ্ট করার সুযোগও নেই।
জাপানের ক্যাম্পাসগুলোতেও একই চিত্র—শিক্ষকদেরুমের আলো সকাল সাতটায় জ্বলে ওঠে এবং অনেক সময় রাত দশটা পর্যন্ত নিভে না। সেখানে নেই দলীয় পোস্টার, ব্যানার কিংবা হল দখল। নেই মারামারি বা অস্থিরতা। সবাই স্বাধীনভাবে পড়াশোনা, গবেষণা, আবিষ্কার আর উদ্ভাবনে মনোযোগী।
ইউরোপে গবেষণার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত
জার্মানি, সুইডেন, ফিনল্যান্ড, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় আবিষ্কার ও উদ্ভাবনের জন্মস্থান। তাদের ছাত্ররা ২২-২৩ বছর বয়সেই পিএইচডি শুরু করে। অগণিত তরুণ স্বপ্ন দেখছে বিশ্ব বদলে দেওয়ার।
দুঃখজনকভাবে, একই বয়সের বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দলীয় রাজনীতি, ক্ষমতার দ্বন্দ্ব আর মারামারিতে সময় নষ্ট করছে।
শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিভক্ত—পড়াশোনা ও গবেষণা দ্বিতীয় সারিতে। এমন অস্বাস্থ্যকর শিক্ষা-সংস্কৃতি বিশ্বের অন্য কোথাও নেই, এমনকি আফ্রিকার দরিদ্র দেশগুলোতেও নয়।
আমেরিকার অনুপ্রেরণামূলক উদাহরণ
আমেরিকার তরুণরা রোবটিক্স, মহাকাশ গবেষণা, মেশিন লার্নিং, নতুন ওষুধ আবিষ্কারসহ অগণিত উদ্ভাবনী খাতে কাজ করছে। ২৫-২৬ বছর বয়সেই তারা উদ্যোক্তা হয়ে ওঠে। প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্রে লক্ষাধিক স্টার্টআপ জন্ম নিচ্ছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করছে।
ভারতের অগ্রগতি বনাম বাংলাদেশের স্থবিরতা
ভারত ইতিমধ্যে ২৩টি বিশ্বমানের আইআইটি গড়ে তুলেছে। অথচ বাংলাদেশ ২০২৫ সালেও একটি আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় গড়তে পারেনি।
এখনও যদি পরিবর্তনের পথে না হাঁটি, তবে বিশ্ব প্রতিযোগিতায় আমাদের অবস্থান আরও পিছিয়ে যাবে।

0 Comments