আজ শুক্রবার - ৪ই আশ্বিন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ২৫ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
ম্যান সিটির আলটিমেট জয় হলান্ড-ডোকুর গোলে নাপোলি বিধ্বস্ত
মেটা ডেসক্রিপশন :
হলান্ডের রেকর্ডময় গোল ও ডোকুর নৈপুণ্যে ম্যানচেস্টার সিটি ১০ জনের নাপোলিকে ২-০ গোলে হারাল। পড়ুন বিস্তারিত ম্যাচ রিপোর্ট।
![]() |
| ম্যান সিটির আলটিমেট জয় |
ম্যানচেস্টার সিটি আবারও প্রমাণ করলো কেন তারা ইউরোপের শীর্ষ দল। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নতুন মৌসুমের প্রথম ম্যাচেই নাপোলিকে ২-০ গোলে হারিয়েছে পেপ গুয়ার্দিওলার শিষ্যরা। আর্লিং হলান্ডেরেকর্ডময় গোল এবং জেরেমি ডোকুর দুর্দান্ত নৈপুণ্য এই জয়ে মূল ভূমিকা রাখে। নাপোলির অধিনায়ক জিওভান্নি দি লরেন্সোর লাল কার্ড ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
নাপোলির দুর্ভাগ্যজনক শুরু: অধিনায়কের লাল কার্ডের প্রভাব
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মতো মঞ্চে শুরুটা যেকোনো দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু নাপোলির অধিনায়ক জিওভান্নি দি লরেন্সো ২১ মিনিটেই লাল কার্ড দেখে দলকে বড় সমস্যায় ফেলে দেন। আক্রমণ থামাতে গিয়ে হলান্ডকে ডি-বক্সের বাইরে ফাউল করায় রেফারি ভিএআরের সহায়তায় সরাসরি তাকে মাঠ থেকে বের করে দেন। এর ফলে নাপোলির পুরো গেম প্ল্যান এলোমেলো হয়ে যায়।
ম্যানচেস্টার সিটির আধিপত্য: ফার্স্ট হাফ বিশ্লেষণ
প্রথমার্ধে নাপোলি ডিফেন্সে মনোযোগ দিলেও সিটি পুরোপুরি আধিপত্য করে। গোলের জন্য ১৬টি শট নেয় তারা, যার মধ্যে ৫টি অন টার্গেটে ছিল। তবে গোলরক্ষক মিলিনকোভিচ-সাভিচ দারুণ দুটি সেভ করে বিরতিতে সমতা ধরে রাখেন। আপনি কি জানেন? সিটির এই আধিপত্যই ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় তাদের সফলতার মূল চাবিকাঠি।
হলান্ডের রেকর্ডময় গোল: চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ইতিহাসে দ্রুততম ৫০
৫৬ মিনিটে ফিল ফোডেনের চমৎকার থ্রু বল থেকে হেডে গোল করেন আর্লিং হলান্ড। এটাই ছিল তার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ৫০তম গোল, যা তিনি করেছেন মাত্র ৪৯ ম্যাচে। এই রেকর্ড ভেঙে দেন রুড ফন নিস্টলরয়ের, যিনি ৬২ ম্যাচে এই মাইলফলক ছুঁয়েছিলেন।
📖 উয়েফা অফিসিয়াল স্ট্যাটস
রেকর্ডের খাতায় হলান্ড: সংখ্যা বলে কী?
মোট ৫০ গোল চ্যাম্পিয়ন্স লিগে
মাত্র ৪৯ ম্যাচে অর্জন
ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে ২৭ গোল
বরুশিয়া ডর্টমুন্ডে ১৫ গোল
রেড বুল সালসবুর্কে ৮ গোল
এই পরিসংখ্যান প্রমাণ করে কেন হলান্ড আধুনিক যুগের সবচেয়ে ভয়ংকর স্ট্রাইকার।
ডোকুর নৈপুণ্য: গোলের দারুণ শিল্পকলা
৬৫ মিনিটে গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন জেরেমি ডোকু। ডি-বক্সের মুখে বল পেয়ে প্রতিপক্ষের চারজনকে কাটিয়ে দুর্দান্ত কোনাকুনি শটে গোল করেন তিনি। এই গোলের মাধ্যমে সিটি পুরোপুরি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয়।
নাপোলির ব্যর্থতা: সুযোগহীন একটি ম্যাচ
পুরো ম্যাচে নাপোলি মাত্র একটি শট নিতে সক্ষম হয়। খেলোয়াড় কমে যাওয়ায় তারা রক্ষণে আটকে যায়। কেভিন ডে ব্রুইনের প্রত্যাবর্তনও ম্যাচে প্রভাব ফেলতে পারেনি, কারণ তাকে কোচ বদলি করে মাঠ থেকে তুলে নেন রক্ষণ শক্তিশালী করতে।
ম্যানচেস্টার সিটির ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ: গুয়ার্দিওলার কৌশল
এই জয়ের পর সিটি গ্রুপ পর্বে এগিয়ে গেলেও আসল চ্যালেঞ্জ নকআউট রাউন্ডে। পেপ গুয়ার্দিওলা এবারও শিরোপা ধরে রাখতে চান, আর এজন্য হলান্ড-ডোকু-ফোডেনদের ফর্ম ধরে রাখা জরুরি।
আপনি কি জানেন? ৫টি অবিশ্বাস্য তথ্য
হলান্ড একমাত্র স্ট্রাইকার যিনি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথম ৫০ গোল করেছেন ২৫ বছরের আগে।
সিটি শেষ ১৫টি হোম ম্যাচে অপরাজিত।
গুয়ার্দিওলার অধীনে সিটি কখনোই গ্রুপ স্টেজ থেকে বাদ পড়েনি।
ডোকু গত মৌসুম থেকে ইউরোপে সবচেয়ে বেশি ড্রিবল সফল করেছেন।
নাপোলি গত ১০ বছরে ইংলিশ দলের বিপক্ষে ৭ বারের বেশি হেরেছে।
প্রশ্নোত্তর (FAQ)
প্রশ্ন ১: ম্যানচেস্টার সিটি কত গোলে জয় পেয়েছে?
➡️ তারা ২-০ গোলে জয় পেয়েছে।
প্রশ্ন ২: ম্যাচে প্রথম গোল কে করেছেন?
➡️ আর্লিং হলান্ড ম্যাচের প্রথম গোলটি করেন।
প্রশ্ন ৩: হলান্ডের নতুন রেকর্ড কী?
➡️ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দ্রুততম ৫০ গোল, মাত্র ৪৯ ম্যাচে।
প্রশ্ন ৪: ডোকুর গোল কেমন ছিল?
➡️ চারজন ডিফেন্ডার কাটিয়ে দুর্দান্ত কোনাকুনি শট নেন, যা দ্বিতীয় গোল হয়।
প্রশ্ন ৫: নাপোলি কেন হারলো?
➡️ অধিনায়ক লাল কার্ড দেখা এবং আক্রমণে সুযোগ তৈরি করতে না পারা তাদের হার নিশ্চিত করে।
.jpg)
0 Comments