আজ সোমবার ২৮রা আশ্বিন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৩ অক্টোবর ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, ১৯ রবিউস সানি ১৪৪৭ হিজরি
তারেক রহমানের ৩১ দফা: রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতেরূপরেখা — পরিবর্তনের পথে আলহাজ মোঃ কাফিল উদ্দিন
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনর্গঠনের এক ঐতিহাসিক রূপরেখা। পরিবর্তনের এই পথে এগিয়ে আসছেন বিএনপি প্রার্থী আলহাজ মোঃ কাফিল উদ্দিন।
![]() |
| তারেক রহমানের ৩১ দফা রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতেরূপরেখা |
পরিবর্তনের পথে আলহাজ মোঃ কাফিল উদ্দিন
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি থেকে আলহাজ মোঃ কাফিল উদ্দিন প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
তিনি বিশ্বাস করেন—
“রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের এই ৩১ দফা শুধু একটি রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়; এটি বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য একটি ঐতিহাসিক মোড়। আমি এই পরিবর্তনের অংশ হতে চাই জনগণের পাশে থেকে।”
✅ তিনি স্থানীয় উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সুশাসন ও ধর্মীয় সম্প্রীতির পক্ষে দৃঢ় অবস্থানিয়েছেন।
✅ তৃণমূল মানুষের কণ্ঠস্বরকে জাতীয় পরিসরে তুলে ধরাই তার লক্ষ্য।
রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা পরিবর্তনের রূপরেখা
বাংলাদেশেরাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিক্রম করছে দেশ। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের লক্ষ্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান জাতির সামনে উপস্থাপন করেছেন ৩১ দফার ঐতিহাসিক ঘোষণা। এই দফাগুলোর মাধ্যমে তিনি একটি ন্যায্য, জবাবদিহিমূলক, স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক রাষ্ট্র গঠনেরূপরেখা দিয়েছেন।
গণতন্ত্র ও শাসনব্যবস্থা সংস্কার
এই ৩১ দফার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, সংসদীয় শাসনব্যবস্থার শক্তিশালীকরণ, জনগণের ভোটাধিকার ও নির্বাহী ক্ষমতার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর।
জনগণের ভোটে কার্যকর সংসদ তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনঃপ্রবর্তন
সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠন বিচার বিভাগের স্বাধীনতা
নির্বাচনী ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান সংস্কার
জনগণের আস্থা ফেরাতে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ করতে বিএনপি প্রস্তাব করেছে—
স্বাধীনির্বাচন কমিশন
দুর্নীতি দমন কমিশনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি মানবাধিকার কমিশনের পূর্ণ স্বাধীনতা
রাজনৈতিক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ
![]() |
| তারেক রহমানের ৩১ দফা |
অর্থনীতি ও সামাজিক উন্নয়ন
৩১ দফায় অর্থনৈতিক উন্নয়নকে জনগণের হাতে তুলে দেওয়ারূপরেখা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে।
কৃষক, শ্রমিক ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সহায়তা দুর্নীতি ও অর্থ পাচারোধ বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ
স্থানীয় অর্থনৈতিক পরিষদে জনসম্পৃক্ততা
শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান
একটি মানবিক রাষ্ট্র গঠনে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
বিনামূল্যে ও সহজলভ্য স্বাস্থ্যসেবা কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি
নারী ও তরুণদের অর্থনৈতিক্ষমতায়ন আধুনিক শিক্ষা নীতি বাস্তবায়ন
আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা
মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি নির্মূলে জিরো টলারেন্স পুলিশকে জনগণের সেবক হিসেবে গড়ে তোলা
ন্যায্য মজুরি ও সামাজিক সুরক্ষা আইনের শাসন নিশ্চিত করা
পরিবেশ, সম্প্রীতি ও জাতীয় ঐক্য
প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা তথ্যপ্রবাহে গণপ্রবেশ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্যকর উদ্যোগ
৩১ দফার মূল লক্ষ্য
👉 জনগণের ক্ষমতা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া 👉 আইন, বিচার ও প্রশাসনে স্বচ্ছতা আনা
👉 রাষ্ট্রের ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা 👉 অর্থনৈতিক সমতা ও সুযোগ সৃষ্টি
👉 একটি ন্যায্য ও মানবিক বাংলাদেশ গঠন
তারেক রহমানের ৩১ দফা কেবল একটি রাজনৈতিক ঘোষণাপত্র নয়—এটি একটি রাষ্ট্র গঠনের নতুনীলনকশা। এই নীলনকশা বাস্তবায়নে স্থানীয় পর্যায়ে জনসম্পৃক্ত প্রার্থী যেমন আলহাজ মোঃ কাফিল উদ্দিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ আজ জনগণের হাতে—সময় এসেছে পরিবর্তনের পক্ষে দাঁড়ানোর।
![]() |
| আলহাজ মোঃ কাফিল উদ্দিন। |
রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা
ঘোষক: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান
১. জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে একটি কার্যকর সংসদ প্রতিষ্ঠা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার।
২. জাতীয় পুনর্মিলন (Rainbow-Nation) ও জাতীয় সমন্বয় কমিশন (National Reconciliation Commission) গঠন।
৩. সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সীমিতকরণ।
৪. তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনসহ নিরপেক্ষ নির্বাচনের নিশ্চয়তা প্রদান।
৫. সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠন করে প্রয়োজনীয় সংশোধন।
৬. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠন।
৭. নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, পাবলিক সার্ভিস কমিশন, মানবাধিকার কমিশনসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।
৮. স্থানীয় সরকারকে স্বায়ত্তশাসন প্রদান ও বিকেন্দ্রীকরণ।
৯. অর্থনৈতিক উন্নয়নে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে নাগরিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
১০. শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণে বিশেষ নীতিমালা প্রণয়ন।
১১. ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে দুর্নীতি ও অর্থপাচার রোধ।
১২. ভিন্নমত ও বাকস্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ।
১৩. সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় আইন সংস্কার।
১৪. পররাষ্ট্রনীতিতে জাতীয় স্বার্থকে সর্বাগ্রে রেখে সমতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে কূটনীতি।
১৫. রাষ্ট্রীয় প্রশাসনে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করে মেধা ও যোগ্যতাভিত্তিক নিয়োগ ব্যবস্থা।
১৬. তরুণ সমাজের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উদ্যোক্তা সহায়তা কার্যক্রম।
১৭. নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর অধিকার সংরক্ষণে কার্যকর পদক্ষেপ।
১৮. শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য মজুরি, কর্মপরিবেশ ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ।
১৯. কৃষকদের জন্য ভর্তুকি, কৃষি ঋণ, সার, বীজ ও কৃষিপণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা।
২০. গ্রামীণ অর্থনীতি ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা উন্নয়নে সহায়তা।
২১. পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে কার্যকর নীতি গ্রহণ।
২২. সেবা বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে স্থানীয় প্রশাসনকে শক্তিশালী করা।
২৩. ধর্মীয় স্বাধীনতা, সম্প্রীতি ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষা।
২৪. ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার ও তথ্যপ্রবাহে গণপ্রবেশ নিশ্চিত করা।
২৫. মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি।
২৬. পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জনগণের সেবক হিসেবে পুনর্গঠন।
২৭. চিকিৎসা খাতে ‘একজনের চিকিৎসা, সবার দায়িত্ব’ নীতি বাস্তবায়ন।
২৮. শহর ও গ্রাম উন্নয়নের ভারসাম্য রক্ষা করে পরিকল্পিত নগরায়ণ।
২৯. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় কার্যকর উদ্যোগ।
৩০. জাতীয় ঐক্য, সামাজিক ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার রক্ষায় জাতীয় চার্টার প্রণয়ন।
৩১. বাংলাদেশকে একটি স্বপ্নময়, ন্যায়ভিত্তিক, আধুনিক ও সুখী রাষ্ট্রে রূপান্তর।
.jpg)

.jpg)
0 Comments