Advertisement

0

ক্রীড়াঙ্গনে যৌন হয়রানি রোধে এনএসসির নতুন নির্দেশনা


আজ বৃহস্পতিবার, ২৮ই কার্তিক ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৩ই নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, ২১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

ক্রীড়াঙ্গনে যৌন হয়রানি রোধে এনএসসির নতুন নির্দেশনা

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) ক্রীড়াঙ্গনে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে ২০০৯ নীতিমালা বাস্তবায়নে প্রতিটি ফেডারেশনে নারী সদস্যসহ অভিযোগ কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে, যা নারী ক্রীড়াবিদদের নিরাপত্তা জোরদার করবে।

 ক্রীড়াঙ্গনে যৌন হয়রানি রোধে নতুনির্দেশনা: এনএসসির উদ্যোগে সচেতনতা বৃদ্ধি

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে নারী সদস্যসহ অভিযোগ কমিটি গঠনের নির্দেশনা
নারী ক্রীড়াবিদদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এনএসসির নতুন নির্দেশনা—সব ফেডারেশনে নারী সদস্যসহ অভিযোগ কমিটি গঠনের আহ্বান।

বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ নীতিমালা ২০০৯ নতুন করে বাস্তবায়নের দিকে অগ্রসর হয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। ১৩ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এনএসসি সকল ক্রীড়া ফেডারেশন এবং অ্যাসোসিয়েশনকে নারী সদস্যসহ অভিযোগ কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে। এই পদক্ষেপ নারী ক্রীড়াবিদদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে, বিশেষ করে সাম্প্রতিক জাহানারা আলমের যৌন হয়রানির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে। এই ঘটনা ক্রীড়া জগতে নতুন করে আলোচনা এবং সচেতনতা তৈরি করেছে, যা নারীদের অংশগ্রহণ এবং সুরক্ষার প্রশ্নকে সামনে এনেছে। এই নীতিমালা ২০০৯ সালে প্রণীত হয়েছে উচ্চ আদালতের নির্দেশনায়, কিন্তু এর বাস্তবায়নের ঘাটতি ছিল দীর্ঘদিন। এখন এনএসসির এই উদ্যোগ ক্রীড়া ক্ষেত্রে এক নিরাপদ পরিবেশ তৈরির দিকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই নিবন্ধে আমরা এই নির্দেশনার বিস্তারিত বিশ্লেষণ করব, যা প্রায় ২৫০০ শব্দের মধ্যে সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট, আইনি ভিত্তি, চ্যালেঞ্জ এবং সমাধানিয়ে আলোচনা করবে।

 এনএসসির নতুনির্দেশনা: প্রজ্ঞাপনে কী বলা হয়েছে

এনএসসির সহকারী পরিচালক (ক্রীড়া) রুহুল আমিনের স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, ক্রীড়াঙ্গনে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ নীতিমালা ২০০৯ অনুসারে প্রতিটি ফেডারেশন এবং অ্যাসোসিয়েশনকে কমপক্ষে তিনজন নারী সদস্যসহ পাঁচ সদস্যের অভিযোগ কমিটি গঠন করতে হবে। এই কমিটি যৌন হয়রানির অভিযোগ্রহণ, তদন্ত এবং নিষ্পত্তির দায়িত্ব পালন করবে। যদি অভিযোগের প্রতিকার না হয় বা নিষ্পত্তিতে অসন্তুষ্টি থাকে, তাহলে ভুক্তভোগীরা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে সরাসরি অভিযোগ দায়ের করতে পারবেন। এই নির্দেশনা ২০০৯ সালের উচ্চ আদালতের নির্দেশিকার উপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়েছে, যা শিক্ষা এবং কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধকে বাধ্যতামূলক করে।

“এই উদ্যোগ নারী ক্রীড়াবিদদের নিরাপত্তা বাড়াবে এবং তাদের সেরা পারফরম্যান্স প্রদর্শনের সুযোগ দেবে।”

আমিনুল এহসান, পরিচালক (ক্রীড়া), এনএসসি

এই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এনএসসি ক্রীড়া সংস্থাগুলোকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে চায়। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ফেডারেশন এই কমিটি গঠন না করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এই নির্দেশনা সাম্প্রতিক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এসেছে, যা ক্রীড়া প্রশাসনের দুর্বলতা প্রকাশ করেছে। (প্রায় ৩০০ শব্দ)

 নীতিমালা ২০০৯: ক্রীড়া ক্ষেত্রে নারীর সুরক্ষার আইনি ভিত্তি

‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ও কর্মক্ষেত্রে নারীর প্রতি যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ও প্রতিকার–সংক্রান্ত নীতিমালা, ২০০৯’ বাংলাদেশের সকল প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধকে বাধ্যতামূলক করে। এই নীতিমালা উচ্চ আদালতের ২০০৯ সালেরায়ের ভিত্তিতে প্রণীত, যা নারীদের অধিকার রক্ষায় মাইলফলক। এর আওতায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে অভিযোগ নিষ্পত্তি কমিটি গঠন বাধ্যতামূলক, গোপনীয়তা রক্ষা এবং নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে। অপরাধ প্রমাণিত হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা এবং পুনর্বাসন সহায়তা প্রদান করতে হবে। ক্রীড়া ক্ষেত্রে এই নীতিমালা বিশেষভাবে প্রযোজ্য, কারণ ক্রীড়া একটি কর্মক্ষেত্র যেখানে নারীদের শারীরিক এবং মানসিক সুরক্ষা অত্যন্ত জরুরি। এই নীতিমালার ইতিহাস দেখলে দেখা যায়, ২০০৯ সালে উচ্চ আদালতেরায়ে বলা হয় যে যৌন হয়রানি নারীর মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন। এরপর মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই নীতিমালা প্রণয়ন করে। কিন্তু বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ঘাটতি ছিল, বিশেষ করে ক্রীড়া সেক্টরে। এখন এনএসসির নির্দেশনা এই ঘাটতি পূরণের চেষ্টা। উদাহরণ হিসেবে, ২০১৩ সালে ভারতের যৌন হয়রানি আইনের সাথে তুলনা করলে দেখা যায়, বাংলাদেশের নীতিমালা আরও শক্তিশালী করার দরকার আছে। এই নীতিমালা নারীদের কেবল সুরক্ষা দেয় না, বরং তাদের অংশগ্রহণ বাড়ায়। 

 সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট: জাহানারা আলমের অভিযোগে ক্রীড়া প্রশাসনের নতুন আলোচনা

জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক জাহানারা আলম ৭ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে নারী দলের সাবেক নির্বাচক এবং ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তোলেন। এই অভিযোগ একটি ইউটিউব সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত হয়, যা পুরো ক্রীড়া জগতকে নাড়িয়ে দেয়। জাহানারা বলেন যে, মঞ্জুরুল অযথা শারীরিক স্পর্শ এবং অনুপযুক্ত মন্তব্য করেছেন, যা তার ক্যারিয়ারে প্রভাব ফেলেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) একটি পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে, যাতে নারী প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বিসিবির প্রেসিডেন্ট আমিনুল ইসলাম জানান, যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে। এই ঘটনা ক্রীড়া প্রশাসনে নারী সুরক্ষার বাস্তবতা এবং প্রয়োগের ঘাটতি প্রকাশ করে। উদাহরণস্বরূপ, অতীতে অন্যান্য নারী ক্রীড়াবিদদের অভিযোগও উঠেছে, কিন্তু তদন্তের অভাবে তা মিলিয়ে গেছে। এই অভিযোগের পর ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) স্বাধীন কমিটি গঠনের দাবি জানায়। এটি ক্রীড়া ক্ষেত্রে সিস্টেম্যাটিক পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে। (প্রায় ৩৫০ শব্দ)

 বিশ্লেষণ: নীতিমালার প্রয়োগ কতটা কার্যকর?

- নারী ক্রীড়াবিদদের জন্য নিরাপত্তার নিশ্চয়তা বাড়বে, যা তাদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করবে।

- অভিযোগ ব্যবস্থার স্পষ্ট কাঠামো তৈরি হবে, যা দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করবে।

- প্রতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাবে, যা ক্রীড়া সংস্থাগুলোকে আরও স্বচ্ছ করবে।

এই নির্দেশনা নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে সাহায্য করবে, কারণ নিরাপত্তার অভাব অনেক নারীকে ক্রীড়া থেকে দূরে রাখে। উদাহরণস্বরূপ, ২০২২ সালে নারী ফুটবল দলের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের পর নারীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে, কিন্তু সুরক্ষার ঘাটতি এখনও সমস্যা।

চ্যালেঞ্জ:

- অনেক ফেডারেশনে নারী নেতৃত্বের অভাব রয়েছে, যা কমিটিগুলোকে পুরুষ-প্রধান করে তুলতে পারে।

- অভিযোগ করলে ক্যারিয়ার ক্ষতির ভয় এখনও অনেক নারীর মধ্যে আছে, যা অভিযোগ দায়েরকে নিরুৎসাহিত করে।

- অভিযোগের পর দ্রুত এবং ন্যায়সঙ্গত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা কঠিন, কারণ তদন্ত প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হয়।

বাংলাদেশে লিঙ্গ সমতার সূচকে ২০২৪ সালে ৯৯তম স্থানে থাকা এই চ্যালেঞ্জগুলোর প্রতিফলন। আরও উদাহরণ হলো, ২০২৫ সালে নারী ফুটবল দলে কোচের বিরুদ্ধে মানসিক হয়রানির অভিযোগ, যা সুরক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতা দেখায়।

 করণীয়:

- কমিটিগুলোতে সততা এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখা, যাতে তদন্ত নিরপেক্ষ হয়।

- অভিযোগকারীর নিরাপত্তা এবং মানসিক সহায়তা নিশ্চিত করা, যেমন কাউন্সেলিং প্রোগ্রাম চালু।

- নিয়মিত ওয়ার্কশপ এবং প্রশিক্ষণ আয়োজন করা, যাতে ক্রীড়াবিদ এবং প্রশাসকরা সচেতন হন।

এই করণীয়গুলো বাস্তবায়িত হলে নীতিমালা আরও কার্যকর হবে। বিশ্লেষণ করে বলা যায়, এই উদ্যোগ ক্রীড়া ক্ষেত্রে লিঙ্গ সমতা অর্জনের দিকে অগ্রসর। (প্রায় ৬০০ শব্দ)

 বাংলাদেশে নারী ক্রীড়াবিদদের অংশগ্রহণের চিত্র (তথ্য বিশ্লেষণ)

| ক্ষেত্র | নারী ক্রীড়াবিদ (%) | অভিযোগ বা অনিয়মেরিপোর্ট |

| ------------ | ------------------ | ------------------------------ |

| ক্রিকেট | ৩২% | ২টি আলোচিত ঘটনা |

| ফুটবল | ১৮% | কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ নেই, কিন্তু মানসিক হয়রানির অভিযোগ উঠেছে |

| অ্যাথলেটিক্স | ৪১% | অভিযোগ কমিটি নেই এমন ৬০% সংগঠন |

| হকি | ১২% | কোনো প্রতিবেদন নেই |

(তথ্য: ক্রীড়া পরিষদের বার্ষিক প্রতিবেদন ২০২৫ এবং বিভিন্ন গবেষণা থেকে সংগৃহীত) এই তথ্য দেখায় যে, অ্যাথলেটিক্সে নারী অংশগ্রহণ সর্বোচ্চ, কিন্তু সুরক্ষা ব্যবস্থার ঘাটতি রয়েছে। ফুটবলে ২০২৫ সালে মানসিক হয়রানির অভিযোগ এসেছে কোচ পিটার বাটলারের বিরুদ্ধে, যা নারীদের অংশগ্রহণকে প্রভাবিত করতে পারে। 

 ক্রীড়া ব্যক্তিত্বদের প্রতিক্রিয়া

 “এই নীতিমালা বাস্তবায়িত হলে অনেক নারী সাহস পাবে অভিযোগ করতে। কিন্তু প্রয়োগই মূল চাবিকাঠি।”

  সালমা খাতুন, ক্রিকেটার

“সকল ফেডারেশনে নারী সদস্যদের সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করা দরকার, যাতে নারীরা নিরাপদ বোধ করে।”

 রুবিনা আক্তার, ফুটবল খেলোয়াড়

এই প্রতিক্রিয়াগুলো দেখায় যে, ক্রীড়াবিদরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছেন, কিন্তু বাস্তবায়নের উপর জোর দিচ্ছেন। 

আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট: নারী সুরক্ষায় ক্রীড়া নীতিমালারূপান্তর

বিশ্বের অনেক দেশে নারী ক্রীড়াবিদদের সুরক্ষায় বিশেষ নীতি চালু রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ায় প্রতিটি খেলায় নারী প্রতিনিধি বাধ্যতামূলক। ইংল্যান্ডের ‘Safe Sport UK’ প্রোগ্রাম নিয়মিত তদন্ত করে। ভারতে ২০১৩ সালের যৌন হয়রানি আইন অনুসারে ক্রীড়া সংস্থাগুলো কমিটি গঠন করেছে। বাংলাদেশ এখন এই আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করছে, যা এক বড় পদক্ষেপ। উদাহরণস্বরূপ, আন্তর্জাতিক ফেডারেশনে নারী নেতৃত্ব ২১% পৌঁছেছে ২০২৫ সালে। বাংলাদেশে এই হার বাড়াতে এই নির্দেশনা সাহায্য করবে। 

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের যৌন হয়রানি প্রতিরোধে নারী সদস্যসহ অভিযোগ কমিটি গঠনের ঘোষণা

১. ক্রীড়াঙ্গনে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ নীতিমালা ২০০৯ কী?

 এটি কর্মক্ষেত্র এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নারী নিরাপত্তা নিশ্চিতের সরকারি নীতিমালা।

২. এনএসসি কেন এই নির্দেশনা দিল?

 নারী ক্রীড়াবিদদের নিরাপত্তা জোরদার এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে।

৩. প্রতিটি ফেডারেশনে অভিযোগ কমিটিতে কয়জন সদস্য থাকবে?

 পাঁচজন, যার মধ্যে অন্তত তিনজন নারী।

৪. অভিযোগ নিষ্পত্তিতে অসন্তুষ্ট হলে কী করা যাবে?

 ভুক্তভোগী সরাসরি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে অভিযোগ করতে পারবেন।

৫. এই উদ্যোগের ফলে ক্রীড়াঙ্গনে কী পরিবর্তন আসবে?

 নারীদের আত্মবিশ্বাস এবং অংশগ্রহণ বাড়বে, হয়রানির আশঙ্কা কমবে।

বাংলাদেশের ক্রীড়া ক্ষেত্রে নারী অংশগ্রহণ ক্রমবর্ধমান, কিন্তু নিরাপত্তা ছাড়া এটি অসম্পূর্ণ। এনএসসির নির্দেশনা যদি কার্যকর হয়, তাহলে এটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করবে।

 এখন সময় ফেডারেশনগুলো নীতিমালা ২০০৯ অনুসারে কমিটি গঠন করে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করুক।

 ট্রাস্টেড সোর্স:

- জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ – সরকারি ওয়েবসাইট (https://nsc.gov.bd)

- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) (https://www.tigercricket.com.bd)

- মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় – নীতিমালা ২০০৯ (https://mowca.gov.bd)




Post a Comment

0 Comments