Advertisement

0

ঢাকা-১৪ আসনে আলোচনায় ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাসিম | নির্বাচন ২০২৫

 ঢাকা-১৪ আসনে আলোচনায় ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাসিম | নির্বাচন ২০২৫

নির্বাচন ২০২৫-কে ঘিরে ঢাকার ১৪ নম্বর আসনে আলোচনায় জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাসিম। বিশ্লেষণ Dhaka News-এ।

নির্বাচন ২০২৫-এর উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে বাংলাদেশের রাজনীতির অঙ্গনে। ঢাকা মহানগরের গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলোর মধ্যে অন্যতম ঢাকা-১৪। এই আসনে এবার নতুন করে আলোচনায় এসেছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাসিম, যিনি শহীদ মীর কাসেম আলীর পুত্র।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তরুণ, শিক্ষিত ও আন্তর্জাতিক আইনি অভিজ্ঞতা সম্পন্ন এই প্রার্থী আগামী নির্বাচনে এক ভিন্নধর্মী প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরি করতে পারেন।

ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাসিম, ঢাকা-১৪ আসনের জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী, নির্বাচন ২০২৫-এর প্রস্তুতি ও স্থানীয় জনসংযোগ
ঢাকা-১৪ আসনে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাসিম ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করছেন | নির্বাচন ২০২৫

ঢাকা-১৪ আসন: রাজনৈতিক পটভূমি ও ভোটের ইতিহাস

ঢাকা-১৪ আসনটি ঐতিহ্যগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি নগরভিত্তিক এলাকা, যেখানে ভোটারদের মধ্যে শিক্ষিত, ব্যবসায়ী ও তরুণ জনগোষ্ঠীর উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে বেশি।
গত কয়েকটি নির্বাচনে এখানে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন, তবে বিরোধী জোটগুলোর প্রভাবও সবসময়ই অনুভূত হয়েছে।
২০২৫ সালের নির্বাচনে নতুন প্রজন্মের ভোটার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব এই আসনের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।

 ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাসিম — প্রার্থী প্রোফাইল ও শিক্ষা পটভূমি

ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাসিম যুক্তরাজ্যে আইন বিষয়ে পড়াশোনা সম্পন্ন করে দেশে ফিরে একজন আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করেন।
আইনি ও মানবাধিকার সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে তার সক্রিয়তা তাকে তরুণদের মধ্যে পরিচিত করে তুলেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, মীর আহমেদ “নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বের প্রতিনিধি” হিসেবে জামায়াতে ইসলামীতে ভিন্ন এক ভাবমূর্তি তৈরি করেছেন।

 জামায়াতে ইসলামী ও নির্বাচন ২০২৫-এর কৌশল

বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী তাদের সাংগঠনিক পুনর্গঠন এবং তরুণ নেতৃত্বের ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে।
দলটি বিশেষভাবে ঢাকা শহরের কিছু নির্বাচনী আসনে তরুণ আইনজীবী, ব্যবসায়ী ও শিক্ষিত প্রার্থী মনোনয়ন দিয়ে নতুন প্রজন্মের ভোটারদের আকৃষ্ট করার কৌশল নিয়েছে।

 স্থানীয় ভোটারদের প্রতিক্রিয়া

ঢাকা-১৪ আসনের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, তরুণদের মধ্যে প্রার্থীর প্রতি আগ্রহ বাড়ছে।
অনেকেই মনে করেন, “নতুন প্রজন্মের আইনজীবী হিসেবে ব্যারিস্টার মীর আহমেদ যদি নির্বাচনে সক্রিয় ভূমিকা নিতে পারেন, তবে আসনটি নতুনভাবে আলোচনায় আসবে।”
তবে অন্যদিকে, ঐতিহ্যগত ভোটব্যাংকের প্রভাব এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।

 বিশ্লেষণ — কেন ঢাকা-১৪ আসন হতে পারে ‘কিংমেকার’ অঞ্চল

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে,

  • এই আসনে প্রায় ৪ লাখের বেশি ভোটার রয়েছে,

  • এর মধ্যে তরুণ ভোটার সংখ্যা প্রায় ৪৫%

  • ২০২৫ সালের নির্বাচনে এই তরুণ গোষ্ঠীর সিদ্ধান্ত ফল নির্ধারণে ভূমিকা রাখতে পারে।

এছাড়া, ঢাকার পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, অবকাঠামো ও শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়নপ্রত্যাশী ভোটাররাই মূল টার্গেট গ্রুপ।

 আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে তরুণ প্রার্থীদের উত্থান

বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক পরিবর্তনের অন্যতম দিক হলো তরুণ ও পেশাদার প্রার্থীদের নেতৃত্বে উঠে আসা।
যুক্তরাজ্য, কানাডা ও মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলোতে তরুণ আইনজীবী ও শিক্ষিত প্রার্থীদের নেতৃত্ব রাজনৈতিক চিত্র পাল্টে দিচ্ছে।
বাংলাদেশেও সেই পরিবর্তনের ছোঁয়া দেখা যাচ্ছে ২০২৫ নির্বাচনে — যেখানে মীর আহমেদ বিন কাসিমের মতো শিক্ষিত তরুণ প্রার্থীরা আলোচনায় আসছেন।

 নির্বাচনী ইস্যু ও ভোটার প্রত্যাশা ২০২৫

ঢাকা-১৪ আসনে ভোটারদের প্রধান চাওয়া:

  • নিরাপত্তা ও স্বচ্ছ প্রশাসন

  • যুব কর্মসংস্থান

  • শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন

  • দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা প্রতিরোধ

এই ইস্যুগুলোকে সামনে রেখে সকল প্রার্থীকেই ভোটারদের কাছে আস্থা অর্জন করতে হবে।

 বিশ্লেষকদের মতামত

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. হাসান মাহমুদ বলেন,

“ঢাকা-১৪ আসনে তরুণ ভোটার ও শিক্ষিত শ্রেণি বড় ফ্যাক্টর।
মীর আহমেদ বিন কাসিম যদি তাদের কাছে নিজেকে কার্যকর নেতৃত্ব হিসেবে উপস্থাপন করতে পারেন, তাহলে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় গুরুত্ব পাবেন।”

প্রশ্ন ১: ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাসিম কে?
উত্তর: তিনি একজন তরুণ আইনজীবী ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী, শহীদ মীর কাসেম আলীর পুত্র।

প্রশ্ন ২: ঢাকা-১৪ আসন কেন আলোচনায়?
উত্তর: ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ নগর আসন হিসেবে এখানে তরুণ ভোটারদের প্রভাব বেশি, ফলে রাজনৈতিক দলগুলো এটিকে কৌশলগত আসন হিসেবে দেখছে।

প্রশ্ন ৩: জামায়াতে ইসলামী এবার কেমন কৌশলে নির্বাচন করছে?
উত্তর: তরুণ ও শিক্ষিত প্রার্থীদের প্রাধান্য দিচ্ছে দলটি, যাতে শহুরে ভোটারদের আস্থা অর্জন করা যায়।

প্রশ্ন ৪: নির্বাচন ২০২৫-এ কোন ইস্যুগুলো প্রভাব ফেলবে?
উত্তর: কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বচ্ছতা ও অবকাঠামো উন্নয়ন — এই বিষয়গুলোই প্রধান আলোচ্য।

নির্বাচন ২০২৫ নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায় রচনা করতে যাচ্ছে।
ঢাকা-১৪ আসনে তরুণ প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাসিমের মতো নেতৃত্ব উঠে আসা রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।
ভোটারদের দায়িত্ব — নিজেদের ভবিষ্যতের জন্য যোগ্য, সততা ও দক্ষতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া

Dhaka News পাঠকদের উদ্দেশে আহ্বান:
আপনার এলাকার প্রার্থীদের সম্পর্কে জানুন, বিশ্লেষণ করুন এবং সচেতনভাবে ভোট দিন — কারণ আপনার ভোটই নির্ধারণ করবে আগামী দিনের বাংলাদেশ।

ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাসিম, ঢাকা-১৪ আসনের জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী, নির্বাচন ২০২৫-এর প্রস্তুতি ও স্থানীয় জনসংযোগ

সময়রেখা

শিক্ষা ও পেশাগত পরিচিতি                                                  

ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাসিম ঢাকা-১৪ আসনে নির্বাচনী প্রচারণায়, নির্বাচন ২০২৫-এর জন্য প্রস্তুত, ভোটারদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করছেন
ঢাকা-১৪ আসনে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাসিম ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করছেন | নির্বাচন ২০২৫

২০০২

মানারাত্র ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল স্কুল থেকে ১' লেভেল ও এ' লেভেল সম্পন্ন

২০০২-২০০৫

নাচন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনএন.বি (অনার্স) ডিগ্রি অর্ধন

২০০৭

ব্রিটেনের লন্ডনে লিংকন'স ইন থেকে বার আট ন ডিগ্রি অর্জন

২০০৭-২০০৮

মিশরের কায়রোতে আরবি ভাষায় ডিপ্লোমা সম্পন্ন

২০০৯

বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু

২০০৯

আমায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ গ্রেফতার হলে তাঁদের আইনি সহায়তা প্রদান শুরু করেন

২০১২

পিতা শহীদ মীর কাসেম আলী গ্রেফতার হলে, তাঁর প্রধান আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন

সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ

২০১৬

শহীদ মীর কাসেম আলীর ফাঁসির রায়ের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই চলাকালীন, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের মাত্র ২৩ দিন আগে নিজ বাসা থেকে পরিবারের সামনে সাদা পোশাকধারী আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক অপহরণ হন।

২০২৪

দীর্ঘ ৮ বছর ওম থাকার পর, ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর মুক্তিলাভ করেন।

পারিবারিক পটভূমি

ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম শহীদ মীর কাসেম মোলীর সুযোগ্য সন্তান। তাঁর পিয়া ছিলেন একজন আদর্শবান ইসলামপ্রিয় রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক ও সফান উদেয়াছেন। তিনি ইসল আন্দোলনের অন্যতম মুষলাত্র এবং মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন। পিতার সেই আদর্শ বুকে ধারণ করে আরমান আজ আমাদের সামনে দৃঢ় নেতৃত্বের প্রতীক হয়ে উঠেছেন।

বৈশিষ্ট্য ও শক্তি

দেশপ্রেমিক: দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ইসলামী মূল্যবোধ রক্ষায় আপসহীন।

আমানতদার: জনগণের বিশ্বাসকে আল্লাহর আমানত মনে করেন এবং সংভাবে পালন করেন।

খোদাভীরু: প্রতিটি সিদ্ধান্তে আল্লাহর ভয় ও দ্বীনি চেতনায় পরিচালিত।

সাহসী ও আপসহীন: অন্যায়, জুলুম ও গুম-খুনের বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থানে অটল।

নেতৃত্ব ও ভবিষ্যৎ দর্শন

ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম তরুণ প্রজন্মের সাহস, সততা ও সংগ্রামের প্রতীক।

তিনি বিশ্বাস করেন: গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও ধর্মীয় মূল্যবোধভিত্তিক একটি কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

তিনি চান: একটি গুমমুক্ত, জুলুমমুক্ত, সুশাসনভিত্তিক বাংলাদেশ।

এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা

স্বৈরাচারের তৈরি আবর্জনা ও জঞ্জাল পরিষ্কার করে নতুন আঙ্গিকে মিরপুর, শাহ আলী, দারুসসালাম, বনগ্রাঁও ও কাউন্দিয়া এলাকাকে গড়ে তোলা।

নাগরিক সেবা ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া।

যানজট, পানিবদ্ধতা, ফুটপাত দখল, নীরব চাঁদাবাজি বন্ধ করা।

রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ, সুয়ারেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন করা।

সরকারি স্কুল, কমিউনিটি হাসপাতাল ও খেলার মাঠ নির্মাণ করা।

কাউন্দিয়া যাতায়াতের জন্য ব্রিজ নির্মাণের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা।

Post a Comment

0 Comments