নির্বাচন ঠেকানোর শক্তি কারো নেই: প্রেস সচিবের কড়া বার্তা
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব জানান, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন থামাতে পৃথিবীর কোনো শক্তি নেই। সরকার ও ইসি অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনেই অঙ্গীকারবদ্ধ।
শরীয়তপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম, যেখানে তিনি বলেন—পৃথিবীর কোনো শক্তি জাতীয় নির্বাচনকে প্রতিহত করতে পারবে না।
![]() |
| জাতি একটি অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের অপেক্ষায়—প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিবের ভাষ্য, পৃথিবীর কোনো শক্তিই নির্বাচনকে প্রতিহত করতে পারবে না। |
নির্বাচন ঠেকানোর শক্তি কারো নেই: প্রেস সচিবের কড়া বার্তা
বাংলাদেশেরাজনীতিতে এই মুহূর্তে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়—আসন্ন জাতীয় নির্বাচন। দেশের মানুষ, রাজনৈতিক দল, আন্তর্জাতিক মহল—সবাই তাকিয়ে আছে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে unfolding পরিস্থিতির দিকে। ঠিক এমন সময় শরীয়তপুরের নড়িয়ায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম এক শক্ত বার্তায় বলেন—
“পৃথিবীর কোনো শক্তি নেই যা এই নির্বাচনকে প্রতিহত করতে পারে।”
এই বক্তব্য শুধু রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়নি—বরং দেশের নির্বাচনমুখী পরিবেশকে আরও সরব করে তুলেছে। সরকার ও নির্বাচন কমিশন বলছে—এবারের নির্বাচন হবে ফ্রি, ফেয়ার, পিসফুল ও ক্রেডিবল।
এই প্রবন্ধে থাকবে—
• ঘটনার বিশ্লেষণ
• রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
• কেন প্রেস সচিব এমন শক্ত বার্তা দিলেন
• মাঠপর্যায়ের নির্বাচন প্রস্তুতি
• জেলাভিত্তিক পরিবেশ
• ভোটারদের প্রত্যাশা
• বিশেষজ্ঞদের মন্তব্য
ভূমিকা: নির্বাচন নিয়ে জাতির প্রত্যাশা ও উত্তপ্ত রাজনীতি
বাংলাদেশে নির্বাচনকে ঘিরে উত্তেজনা নতুন নয়। দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতা, সংঘাত, অবিশ্বাস এবং দলীয় দ্বন্দ্বারবার নির্বাচনকে বিতর্কিত করেছে। জনগণ বহু বছর ধরে দাবি করে আসছে—একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের।
এই প্রেক্ষাপটে প্রেস সচিবের বক্তব্য শুধু কথার কথা নয়—বরং এটি এক ধরনেরাষ্ট্রীয় অবস্থান।
মূল কীওয়ার্ড:
জাতীয় নির্বাচন, বাংলাদেশ নির্বাচন খবর, প্রেস সচিব সংবাদ, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন
প্রেস সচিবের বক্তব্য: কী বললেন তিনি?
নড়িয়ার সুরেশ্বর দরবার শরীফ থেকে জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের কাছে প্রেস সচিব বলেন—
“পতিত স্বৈরাচার যতই চেষ্টা করুক না কেন, সরকার অংশগ্রহণমূলক, আনন্দমুখর ও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন জাতিকে উপহার দেবে।”
কেন তিনি বললেন—‘পৃথিবীর কোনো শক্তি নেই নির্বাচন ঠেকানোর’?
বিশ্লেষকদের মতে তিনটি কারণ গুরুত্বপূর্ণ:
আন্তর্জাতিক চাপ্রশমিত করা
বিদেশি পর্যবেক্ষক ও আন্তর্জাতিক সংগঠনের তদারকির মাঝে সরকার চায় একটি শক্ত বার্তা দিতে।
জনগণের আস্থা ধরে রাখা
পূর্ববর্তী ১৫ বছর ধরে সুষ্ঠু নির্বাচনের অভাবের অভিযোগ থাকায় এবার জনগণের বিশ্বাস ফিরিয়ে আনার চেষ্টা।
রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে কড়া বার্তা
যারা নির্বাচন বাতিল বা পিছিয়ে দেওয়ার দাবি করছে—তাদের উদ্দেশেই এই শক্ত অবস্থান।
পতিত সরকারের সমালোচনা: রাজনৈতিক বক্তব্যের বিশ্লেষণ
প্রেস সচিব তার বক্তব্যে বলেন—
“পতিত হাসিনার শাসনামলে সাড়ে ১৫ বছর মানুষ একটি ভালো নির্বাচন পায়নি।”
এই মন্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে:
• এটি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের শক্ত রাজনৈতিক অবস্থানকে নির্দেশ করে
• অতীত সরকারের ওপর ব্যর্থতার দায় চাপানোর কৌশল
• নতুন সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতার বার্তা জনগণের কাছে তুলে ধরা
নির্বাচনকে ঘিরে সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশ—নাকি রাজনৈতিক প্রচারণা?
প্রেস সচিব দাবি করেন—
“মাঠে, ঘাটে, বাজারে ও আনাচে-কানাচে পোস্টারে পোস্টারে ছেয়ে গেছে। জনগণ উৎসবমুখর নির্বাচনমুখী।
মাঠপর্যায়ের বাস্তব চিত্র
বিশ্লেষণে উঠে এসেছে:
• বড় দলগুলোর প্রচারণা বেড়েছে
• গ্রামে-গঞ্জে ভোটার শিক্ষা কার্যক্রম চলছে
• নতুন ভোটাররা উত্তেজিত
• সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণার ঢল
তবে বিরোধীরা বলছে—
এই দৃশ্য “প্রকৃত উৎসব নয়, দলীয় প্রশাসনিক প্রদর্শনী”।
কোথায় বক্তব্য দেওয়া হলো—শরীয়তপুর সফর ও রাজনৈতিক তাৎপর্য
শরীয়তপুরের নড়িয়া এলাকা বহুদিন ধরেই গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিকেন্দ্র।
প্রেস সচিবের সফরসূচি:
• সকাল ৬টায় ঢাকা থেকে রওনা
• ৯টায় পানি ভবন, নড়িয়ায় পৌঁছান
• ১১টার দিকে সুরেশ্বর দরবার শরীফ পরিদর্শন
• ৩টায় জেলা প্রশাসকের সাথে বৈঠক
• ৫টায় ঢাকায় ফেরত
সফরের উদ্দেশ্য কী?
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন:
• মাঠপর্যায়ে প্রশাসনের প্রস্তুতি যাচাই
• নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উৎসাহ প্রদান
• ভোটারদের মাঝে রাজনৈতিক বার্তা পৌঁছে দেওয়া
• ইসলামি দরবার ও স্থানীয় ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ জোরদার করা
জনগণের প্রত্যাশা—সুষ্ঠু নির্বাচন কি সত্যিই সম্ভব?
বাংলাদেশের ভোটারদের সবচেয়ে বড় চাওয়া:
• সহিংসতামুক্ত নির্বাচন
• টাকার প্রভাবমুক্ত ভোট
• ব্যালটের ওপর আস্থা
• নিরপেক্ষ পরিবেশ
বিশেষজ্ঞরা যা মনে করছেন
নির্বাচন গবেষকদের বিশ্লেষণ:
প্রশাসন নিরপেক্ষ থাকলে ভোট সুষ্ঠু হতে পারে
ইসির ওপর আস্থার সংকট দূর করতে হবে
পর্যবেক্ষকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
প্রার্থীদের প্রচারণার সমান সুযোগ না থাকলে নির্বাচনের মান ক্ষতিগ্রস্ত হবে
নির্বাচনী প্রস্তুতি—ইসি ও প্রশাসনের অবস্থান
প্রেস সচিবের দাবি—
“নির্বাচন কমিশন প্রস্তুত এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সক্ষম।”
ইসির নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি
• ভোটার তালিকা আপডেট
• ইভিএম/ব্যালট প্রস্তুত
• আইনশৃঙ্খলা সমন্বয়
• সেনা ও র্যাব প্রস্তুতি
• আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক আমন্ত্রণ
• প্রার্থীদের তথ্যাচাই
বিরোধী দলের অভিযোগ—নির্বাচনী পরিবেশ সত্যিই অংশগ্রহণমূলক?
বিরোধী দলগুলো বলছে:
• “প্রশাসন দলনির্ভর”
• “সমান সুযোগ নেই”
• “কেন প্রেস সচিব এত তাড়াতাড়ি ‘কোনো শক্তি ঠেকাতে পারবে না’ বলছেন?”
এই অভিযোগের জবাব সরকারপক্ষ কী দিচ্ছে?
সরকার বলছে:
• বিরোধীরা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে আগেই অভিযোগ তুলছে
• মাঠপর্যায়ে তারা প্রচারণা চালাতে পারছে
• জনগণ এবার ভোটের পরিবেশে খুশি
নির্বাচন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ—বিশ্ব কি বলছে?
আন্তর্জাতিক মহল সাধারণত তিনটি বিষয়ে নজর রাখে:
মানবাধিকার পরিস্থিতি
ভোটের স্বচ্ছতা
রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি
একাধিক দেশ ইতিমধ্যে পর্যবেক্ষক পাঠানোর আগ্রহ দেখিয়েছে।
প্রেস সচিবের বক্তব্যও আন্তর্জাতিক মহলকে বার্তা দেবারই অংশ।
গণমানুষের প্রতিক্রিয়া—রাস্তার জনগণ কী বলছে?
সাধারণ ভোটারদের মন্তব্য—
• “আমরা শান্তিপূর্ণ ভোট চাই।”
• “আগের মতো রক্তপাত চাই না।”
• “যেই আসুক, সঠিকভাবে দেশ চালাক।”
তরুণ ভোটারদের মধ্যে আবার উত্তেজনাও বেশি।
নির্বাচনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা
Facebook, X, TikTok—সব প্ল্যাটফর্মে ট্রেন্ড:
• নির্বাচন
• ভোটার বিশ্লেষণ
• দলীয় সমর্থকদের পোস্ট
• বিতর্কিত বক্তব্য
• লাইভ প্রচারণা
সোশ্যাল মিডিয়া এখন নির্বাচনের বড় যুদ্ধক্ষেত্র।
সামনে কী দেখতে পারে বাংলাদেশ?
প্রেস সচিবের বক্তব্য পরিষ্কার করে দিচ্ছে—
রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নির্বাচন আয়োজন নিয়ে কোনো দ্বিধা নেই। সরকার নির্বাচনকে জাতীয় উৎসব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায়।
তবে প্রশ্ন একটাই—
এই নির্বাচন কি সত্যিই জনগণের প্রত্যাশামতো হবে?
আগামী কয়েক সপ্তাহই এই প্রশ্নের উত্তর দেবে।
আপনি কি মনে করেন এবারের নির্বাচন সত্যিই ফ্রি ও ফেয়ার হবে?
আপনার মতামত কমেন্টে জানান এবং Dhaka News–এর সাথে থাকুন সর্বশেষ রাজনৈতিক আপডেট পেতে।
প্রশ্ন: প্রেস সচিব কেন বললেন—কোনো শক্তি নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না?
উত্তর: আন্তর্জাতিক চাপ, বিরোধীদের দাবির জবাব এবং প্রশাসনের প্রস্তুতির শক্ত বার্তা দিতে।
প্রশ্ন: নির্বাচনী পরিবেশ কি সত্যিই উৎসবমুখর?
উত্তর: সরকার বলছে হ্যাঁ, তবে বিরোধীরা বলছে এটি প্রশাসনিক প্রদর্শনী।
প্রশ্ন: আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক কি থাকবে?
উত্তর: হ্যাঁ, একাধিক দেশ পর্যবেক্ষক পাঠানোর আগ্রহ দেখিয়েছে।
প্রশ্ন: জনগণ নির্বাচনের প্রতি কেমনোভাব দেখাচ্ছে?
উত্তর: অধিকাংশ জনগণ শান্তিপূর্ণ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন চায়।
JSON-LD Schema Markup (News Article + FAQ)
{
"@context": "https://schema.org",
"@type": "News Article",
"headline": "নির্বাচন ঠেকানোর শক্তি কারো নেই: প্রেস সচিবের কড়া বার্তা",
"description": "প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব জানিয়েছেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন প্রতিহত করার ক্ষমতা পৃথিবীর কোনো শক্তির নেই। সরকার ও ইসি অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনেই অঙ্গীকারবদ্ধ।",
"author": {
"@type": "Person",
"name": "Dhaka News Desk"
},
"publisher": {
"@type": "Organization",
"name": "Dhaka News"
},
"image": "Image_URL_Here",
"date Published": "2025-12-12"
}

0 Comments