বাংলা ভাষা বিশ্বজগতে আলো ছড়াবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একুশে পদক ২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে বলেছেন, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য একদিন বিশ্বজগতে আলো ছড়াবে। জিয়াউর রহমানের প্রবর্তিত এই পদকের মাধ্যমে গুণীজনদের সম্মান, ভাষা আন্দোলনের ঐতিহ্য এবং জ্ঞানচর্চার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। বর্তমান সরকারের নৈতিক গণতান্ত্রিক যাত্রা ও সংস্কৃতি সমৃদ্ধির বিস্তারিত বিশ্লেষণ পড়ুন Dhaka News।
প্রিয় পাঠক, কল্পনা করুন একদিন বিশ্বের বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে বাংলা ভাষায় লেখা বইয়ের স্তূপ, হলিউডের পাশাপাশি বাংলা সিনেমা অস্কার জিতছে, আর কবিতার আসরে রবীন্দ্রনাথের পাশে নতুন প্রজন্মের কবিরা বিশ্ব দরবারে গান গাইছেন। এই স্বপ্ন আজ আর দূরের নয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গতকাল ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে একুশে পদক ২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে স্পষ্ট করে বলেছেন, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিশ্চয়ই একদিন বিশ্ব জগতে আলো ছড়াবে।
![]() |
| বাংলা ভাষাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পৌঁছে দিতে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও অঙ্গীকারের কথা জানালেন তারেক রহমান। |
আমি গত ২০ বছর ধরে রাজনৈতিক সংবাদ ও সাংস্কৃতিক ঘটনা কভার করছি। এমন আশাবাদী বক্তব্য খুব কমই শুনেছি যা একসঙ্গে জাতীয় গর্ব, ঐতিহাসিক স্মৃতি আর ভবিষ্যতেরোডম্যাপ এত সুন্দর করে মেলে ধরে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে গুণীজনদের হাতে রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা তুলে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী যে কথাগুলো বলেছেন, তা শুধু একটি অনুষ্ঠানের বক্তব্য নয়। এটি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের ঘোষণা।
তিনি বলেছেন, একটি রাষ্ট্র ও সমাজে কৃতি মানুষের সংখ্যা যত বাড়বে, সমৃদ্ধি ও নৈতিকতার মানদণ্ড তত উঁচুতে উঠবে। রাষ্ট্র তার প্রয়োজনেই জ্ঞানীগুণীদের সম্মান করে। এই একটি বাক্যেই লুকিয়ে আছে আধুনিক জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির পুরো দর্শন। আজকের বিশ্বে যেখানে সিলিকন ভ্যালি থেকে শুরু করে সিঙ্গাপুর পর্যন্ত প্রতিটি সফল দেশ জ্ঞানী মানুষকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দিয়ে এগিয়েছে, সেখানে প্রধানমন্ত্রীর এই দৃষ্টিভঙ্গি বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
একুশে পদক ২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে দেওয়া এই বক্তব্যে তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদান স্মরণ করেছেন। স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এই পদক প্রবর্তন করেছিলেন তিনি। আজ এটি শুধু একটি পদক নয়, ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ, শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা, গবেষণা পর্যন্ত বাংলাদেশের পুরো ইতিহাসের সেতুবন্ধন। এর মাধ্যমে আপামর জনসাধারণের সঙ্গে গুণীজনদের পরিচয় ঘটে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, শিক্ষা, গবেষণা ও শিল্প-সাহিত্যের চর্চাকে রাজনীতিকীকরণ করা সভ্য সমাজের পরিচায়ক নয়। এই কথাটি আজকের বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। আমরা দেখেছি অতীতে কীভাবে শিক্ষাঙ্গন রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিণত হয়েছে। বর্তমান সরকারের লক্ষ্য নৈতিক মানসম্পন্ন উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা। এই যাত্রায় বিজ্ঞজনদের দিকনির্দেশনা অপরিহার্য।
ফেব্রুয়ারি মাসকে তিনি বলেছেন আত্মপরিচয়ের স্মারক, সংস্কৃতিচেতনার প্রাণপ্রবাহ। একদিকে মাতৃভাষার মর্যাদা, অন্যদিকে জালেমের বিরুদ্ধে অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই। ফেব্রুয়ারি মানেই শেকড় সন্ধানের মাস। ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি আল্লাহর কাছে তাদের শহীদি মৃত্যু কবুলের প্রার্থনা করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, ১৯৭৬ সালে তিনটি বিষয়ে পুরস্কার দিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল। আজ তা ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, শিক্ষা, গবেষণা, শিল্পকলা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সহ কমপক্ষে ১২টি ক্ষেত্রে বিস্তৃত। এটি নিঃসন্দেহে ইতিবাচক অর্জন।
এই অনুষ্ঠানে একুশে পদকে ভূষিত সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে তিনি প্রার্থনা করেছেন, তাদের সৃজনমুখর জীবন আরও দীর্ঘ ও কল্যাণময় হোক।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্যের প্রথম অংশে কৃতি মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সমাজের সমৃদ্ধির সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে। এটি শুধু আবেগের কথা নয়। আধুনিক অর্থনীতির তত্ত্ব অনুসারে, মানবসম্পদই সবচেয়ে বড় সম্পদ। দক্ষিণ কোরিয়া বা সিঙ্গাপুরের উন্নয়নের পেছনে ছিল শিক্ষিত জনগোষ্ঠী। বাংলাদেশেও যদি প্রতি বছর হাজার হাজার গুণী মানুষ তৈরি হয়, তাহলে জিডিপি বৃদ্ধির পাশাপাশি নৈতিকতার মানও উন্নত হবে।
তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, রাষ্ট্র জ্ঞানীদের সম্মান করে নিজের প্রয়োজনে। এখানে কোনো দয়া নয়, বরং বিনিয়োগ। একুশে পদক ঠিক সেই বিনিয়োগের প্রতীক।
জিয়াউর রহমানের অবদান স্মরণ
প্রধানমন্ত্রী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন। ১৯৭৬ সালে তিনি একুশে পদক প্রবর্তন করেন। প্রথমবার কবি কাজী নজরুল ইসলাম, জসীম উদ্দীন, বেগম সুফিয়া কামালের মতো গুণীজনদের সম্মানিত করা হয়। আজ ৫০ বছর পর এই পদক ১২টিরও বেশি ক্ষেত্রে বিস্তৃত। ২০১২ সাল পর্যন্ত ৩৬১ জন ব্যক্তি ও দুটি প্রতিষ্ঠান এই সম্মান পেয়েছেন। প্রত্যেকে পান স্বর্ণ পদক, সম্মাননা সনদ, রেপ্লিকা ও এক লক্ষ টাকা।
একুশে পদকের বর্তমান বিভাগসমূহ
ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, শিক্ষা, গবেষণা, সাহিত্য, শিল্পকলা (সংগীত, নৃত্য, নাটক, চলচ্চিত্র, চারুকলা), সাংবাদিকতা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, অর্থনীতি, সমাজসেবা, দারিদ্র্য বিমোচন, অন্যান্য সামাজিক অবদান, এই বিস্তৃতি দেখিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এটি ইতিবাচক অর্জন।
ভাষা আন্দোলন ও ফেব্রুয়ারির তাৎপর্য
প্রধানমন্ত্রী ফেব্রুয়ারিকে আত্মপরিচয়ের স্মারক বলেছেন। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাজপথে রক্ত ঝরেছিল মাতৃভাষার জন্য। আজ সেই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে বিশ্বজুড়ে পালিত হয়। ইউনেস্কোর স্বীকৃতি বাংলা ভাষার জন্য বিশাল অর্জন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এটি শুধু ভাষার লড়াই নয়, জালেমের বিরুদ্ধে অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইও।
আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, যে জাতি নিজের শেকড় ভুলে যায়, সে জাতি এগোতে পারে না। ফেব্রুয়ারি আমাদের সেই শেকড় স্মরণ করিয়ে দেয়।
বাংলা ভাষার বিশ্বমঞ্চে সম্ভাবনা
প্রধানমন্ত্রীর আশা অমূলক নয়। বাংলা ভাষা মাতৃভাষী হিসেবে বিশ্বে পঞ্চম স্থানে, প্রায় ২৮ কোটি ৫০ লক্ষ মানুষের মাতৃভাষা। মোট ব্যবহারকারী প্রায় ৩০ কোটিরও বেশি। বিশ্বের সপ্তম সর্বাধিক ব্যবহৃত ভাষা এটি।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন গীতাঞ্জলির জন্য। কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী কবিতা আজও বিশ্বের স্বাধীনতাকামী মানুষের অনুপ্রেরণা। আধুনিককালে হুমায়ূন আহমেদ, জহিরায়হান, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সাহিত্য বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। বাংলা সিনেমা, নাটক, গান আজ ইউটিউবে কোটি কোটি ভিউ পায়।
ডিজিটাল যুগে বাংলা কনটেন্টের বিস্ফোরণ ঘটছে। গুগল, উইকিপিডিয়া, ফেসবুকে বাংলা অন্যতম জনপ্রিয় ভাষা। প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিভঙ্গি অনুসারে, যদি আমরা আরও বেশি গবেষণা, অনুবাদ ও প্রচার করি, তাহলে বাংলা সত্যিই বিশ্বে আলো ছড়াবে।
সরকারের দায়িত্ব ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেছেন, রাষ্ট্র ও সরকার শিক্ষা-গবেষণা-শিল্পচর্চাকে বেগবান করবে। রাজনীতিকীকরণ বন্ধ করতে হবে। বর্তমান সরকার নৈতিক মানসম্পন্ন উদার গণতন্ত্র গড়তে কাজ করছে। বিজ্ঞজনদের পরামর্শ নিয়ে এগোনো হবে।
এখানে কয়েকটি সম্ভাব্য পদক্ষেপ:
বাংলা ভাষায় ডিজিটালাইব্রেরি গড়ে তোলা,আন্তর্জাতিক বইমেলায় বাংলা সাহিত্যের প্রচার, শিক্ষায় বাংলা মাধ্যমকে আরও শক্তিশালী করা, যুবকদের সৃজনশীলতা বৃদ্ধিতে বৃত্তি প্রদান,বাংলা কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সরকারি সহায়তা।
প্রশ্ন ১: একুশে পদক কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান। ভাষা শহীদদের স্মৃতি ধরে রেখে গুণীদের উৎসাহিত করে। ১৯৭৬ সাল থেকে চলছে, আজ ১২টির বেশি ক্ষেত্রে দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে সমাজে জ্ঞানচর্চার পরিবেশ তৈরি হয়। আপনি কোন ক্ষেত্রে অবদান রাখতে চান? কমেন্টে জানান। Dhaka News সাবস্ক্রাইব করে আরও অনুপ্রেরণামূলক খবর পান।
প্রশ্ন ২: প্রধানমন্ত্রী কেন বাংলা ভাষার বিশ্বজয়ের কথা বলেছেন?
উত্তর: কারণ বাংলা ইতিমধ্যে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম মাতৃভাষা। রবীন্দ্রনাথের নোবেল, নজরুলের বিদ্রোহী স্পিরিট, আধুনিক ডিজিটাল কনটেন্ট সবই প্রমাণ করে এর সম্ভাবনা অসীম। প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি এই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে চায়। আপনার প্রিয় বাংলা লেখক কে? কমেন্ট করুন। শেয়ার করে বন্ধুদের জানান।
প্রশ্ন ৩: শিক্ষাকে রাজনীতিকীকরণ না করার অর্থ কী?
উত্তর: অর্থ হলো শিক্ষাঙ্গন হবে জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র, রাজনৈতিক অঙ্গন নয়। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এটি সভ্য সমাজের লক্ষণ নয়। বর্তমান সরকার এই দিকে কাজ করছে। আপনি কি মনে করেন শিক্ষা রাজনীতি থেকে মুক্ত হওয়া উচিত? মতামত দিন।
প্রশ্ন ৪: ফেব্রুয়ারি মাসের গুরুত্ব কী?
উত্তর: এটি আমাদের আত্মপরিচয়ের মাস। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে আজকের স্বাধীনতা, সবকিছুর শেকড় এখানে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এটি শেকড় সন্ধানী মাস। প্রতি বছর একুশে ফেব্রুয়ারিতে আমরা নতুন করে শপথ নিই। আপনার ফেব্রুয়ারির স্মৃতি কী? শেয়ার করুন।
প্রশ্ন ৫: তরুণ প্রজন্ম কীভাবে বাংলা ভাষাকে বিশ্বমানচিত্রে তুলে ধরতে পারে?
উত্তর: ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করে, বাংলায় গবেষণা করে, আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলা উপস্থাপন করে। প্রধানমন্ত্রীর আশা এই তরুণদের ওপর। আপনি কী করছেন বা করতে চান? কমেন্টে লিখুন। Dhaka News ফলো করে নিয়মিত অনুপ্রেরণা নিন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই বক্তব্য আমাদের সকলকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য সত্যিই বিশ্বে আলো ছড়াবে যদি আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করি। জ্ঞানীগুণীদের সম্মান, শিক্ষা-সংস্কৃতির বিকাশ এবং নৈতিক গণতন্ত্র গড়ে তোলার এই যাত্রায় প্রত্যেক নাগরিকের ভূমিকা অপরিহার্য।
আজকের এই অনুষ্ঠান শুধু পদক প্রদান নয়, একটি জাতির স্বপ্নের ঘোষণা। আসুন, আমরা সবাই এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেই।
এখনই Dhaka News সাবস্ক্রাইব করুন, এই আর্টিকেলটি ফেসবুক, টুইটার ও হোয়াটসঅ্যাপে শেয়ার করুন। কমেন্টে আপনার মতামত জানান। আরও রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক বিশ্লেষণের জন্য আমাদের সঙ্গে থাকুন। বাংলা ভাষা বিশ্বজয় করুক, জয় বাংলা।
{
"@context": "https://schema.org",
"@type": "News Article",
"headline": "বাংলা ভাষা বিশ্বজগতে আলো ছড়াবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান",
"date Published": "2026-02-26",
"author": {
"@type": "Person",
"name": "Dhaka News টিম"
},
"publisher": {
"@type": "Organization",
"name": "Dhaka News",
"logo": {
"@type": "Image Object",
"URL": "https://dhakanews.com/logo.png"
}
},
"description": "প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একুশে পদক ২০২৬ অনুষ্ঠানে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের বিশ্বজয়ের আশা প্রকাশ করেছেন। বিস্তারিত বিশ্লেষণ, ইতিহাস ও প্রশ্নোত্তর।",
"mainEntityOfPage": {
"@type": "Webpage",
"@id": "https://dhakanews.com/ekushey-padak-2026-tareq-rahman"
}
}

0 Comments