Advertisement

0

আমি অতীত ভুলি নাই: হাসিনার বিচার নিয়ে তারেক রহমানের কড়া হুঁশিয়ারি |

 

 আজ শুক্রবার ১৪ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৭শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ, ৯ই রমজান ১৪৪৭ হিজরি

আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনে আমরা বিস্তারিত জানাব তারেক রহমানের বক্তব্যের গভীরতা, হাসিনার বিচারের দাবি এবং আগামী দিনের রাজনৈতিক রূপরেখা।

অতীত ভোলেননি তারেক রহমান: বক্তব্যের পটভূমি

গত ১৫ বছর ধরে লন্ডন থেকে দলকে সুসংগঠিত রেখেছেন তারেক রহমান। ৫ আগস্টের পর তাঁর সুর আরও তীক্ষ্ণ ও কঠোর হয়েছে।

তিনি বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ আয়নাঘর ভোলেনি, পিলখানা হত্যাকাণ্ড ভোলেনি, শাপলা চত্বরের কালো রাত ভোলেনি। অতীত ভুলে যাওয়া মানে শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করা।”

“আমি অতীত ভুলি নাই” — এই বাক্যটি শুধু একটি স্লোগান নয়, নির্যাতিত লাখো পরিবারের হৃদয়ের প্রতিধ্বনি।

তারেক রহমানের বক্তব্যে হাসিনার বিচার নিয়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা

“অতীত ভুলি নাই”—হাসিনার বিচার নিয়ে তারেক রহমানের কড়া বার্তা


হাসিনার বিচার: বিএনপির স্পষ্ট অবস্থান

তারেক রহমান এবার খুব স্পষ্ট করে বলেছেন — শুধু ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়া যথেষ্ট নয়। গত দেড় দশকের মানবাধিকার লঙ্ঘন, গুম-খুন, লুটপাটের প্রতিটি অপরাধের হিসাব নিতে হবে।

তাঁর দুটি প্রধান দাবি:

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে শেখ হাসিনার স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিক মানের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার — বিএনপি কখনো প্রতিশোধের রাজনীতি করে না, কিন্তু অপরাধীকে ছাড় দেবে না।

রাষ্ট্র সংস্কারে তারেক রহমানের ৩১ দফা প্রস্তাব

শুধু বিচার নয়, তারেক রহমান একটি পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্র সংস্কারেরূপরেখা দিয়েছেন। তাঁর ৩১ দফার মূল কথা:

ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ, বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত ক্ষমতায় লাগাম, দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট সংসদ।

তিনি বলেছেন, “শেখ হাসিনার শাসনামলে যে প্রাতিষ্ঠানিক ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে, তা মেরামত করতে জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।”

কেন এই বক্তব্য এত গুরুত্বপূর্ণ? (E-E-A-T বিশ্লেষণ)

অভিজ্ঞতা (Experience): ১৫ বছর নির্বাসিত জীবন ও অসংখ্য মামলার শিকার হয়েও দলকে টিকিয়ে রাখা।

দক্ষতা (Expertise): বিএনপিকে সুসংগঠিত রাখার অসাধারণ ক্ষমতা।

কর্তৃত্ব (Authoritativeness): দলের একক সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী নেতা।

নির্ভরযোগ্যতা (Trustworthiness): বারবার গণতন্ত্র ও সংবিধান রক্ষার কথা বলে তৃণমূলে আস্থা অর্জন করেছেন।

জনমত ও বর্তমান বাস্তবতা

বক্তব্যের পর আওয়ামী লীগের অঙ্গনে আতঙ্ক, আর সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন আশা। ছাত্র-জনতা বলছে — “অপরাধীদের বিচার না হলে শান্তি আসবে না।”

তবে চ্যালেঞ্জও আছে। বিচার প্রক্রিয়া যেন প্রতিহিংসায় পরিণত না হয়, সেটাই এখন বড় পরীক্ষা।

প্রশ্ন: তারেক রহমান কেন “আমি অতীত ভুলি নাই” বললেন?

উত্তর: গত ১৫ বছরের গুম, খুন, মামলা ও নির্যাতনের ইতিহাস্মরণ করে।

প্রশ্ন: হাসিনার বিচারে বিএনপির মূল দাবি কী?

উত্তর: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে স্বচ্ছ বিচার।

প্রশ্ন: তারেক রহমান কবে দেশে ফিরবেন?

উত্তর: আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন ও রাজনৈতিক পরিবেশ অনুকূলে হলেই বীরের বেশে ফিরবেন।

প্রশ্ন: ৩১ দফা সংস্কারের মূল বিষয় কী?

উত্তর: ক্ষমতার ভারসাম্য, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা সীমিতকরণ ও দ্বি-কক্ষ সংসদ।

 ন্যায়বিচারের পথে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ

“আমি অতীত ভুলি নাই” — এই বাক্যটি আজ কোটি মানুষের হৃদয়ে ধ্বনিত হচ্ছে। তারেক রহমান শুধু ক্ষমতার জন্য নয়, একটি টেকসই, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার জন্য লড়ছেন।

যদি তিনি তাঁর প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারেন, তাহলে ইতিহাস তাঁকে এক অবিস্মরণীয় নেতা হিসেবে স্মরণ করবে।

 আপনার মতামত জানান

তারেক রহমানের এই বক্তব্য নিয়ে আপনার অভিমত কী?

 হাসিনার বিচার দ্রুত হওয়া উচিত বলে মনে করেন?

 নির্বাচন কবে হওয়া উচিত?

কমেন্ট বক্সে আপনার মত লিখুন। পোস্টটি শেয়ার করে আপনার বন্ধু-পরিচিতদের জানিয়ে দিন।

ঢাকা নিউজ — নিরপেক্ষ, সাহসী ও তথ্যভিত্তিক সংবাদের জন্য সবসময় আপনার পাশে।


Post a Comment

0 Comments