ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্ব মুসলিমকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
![]() |
| প্রধান উপদেষ্টার ঈদুল আজহা শুভেচ্ছা ও বার্তা |
🕋 ঈদুল আজহা উপলক্ষে জাতির প্রতি শুভেচ্ছা
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এক বাণীতে তিনি বলেন, “পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আমি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মুসলিম জনগোষ্ঠীকে জানাই শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক।”
✨ ঈদুল আজহার আত্মত্যাগের শিক্ষা
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “মুসলমানদের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা মহান আল্লাহর প্রতি গভীর আনুগত্য ও চরম ত্যাগের অনুপম নিদর্শন। হযরত ইব্রাহীম (আ.) মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য প্রিয় সন্তান হযরত ইসমাইল (আ.)-কে কোরবানি করতে উদ্যত হয়েছিলেন। এই অনন্য দৃষ্টান্ত অনুসরণে আজও মুসলিম বিশ্ব পশু কোরবানির মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করে।”
তিনি আরও বলেন, “ঈদুল আজহা মানুষকে শান্তি, ত্যাগ ও সাম্যের শিক্ষা দেয়। কোরবানিকৃত পশুর মাংস গরিব আত্মীয়, প্রতিবেশী ও দুঃস্থদের মধ্যে বন্টনের মধ্য দিয়ে সমাজে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় হয়।”
🇧🇩 নতুন বাংলাদেশ গঠনে ঈদের প্রেরণা
জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী নতুন বাংলাদেশ গঠনের প্রসঙ্গ তুলে প্রফেসর ইউনূস বলেন, “আসুন, পবিত্র ঈদুল আজহার ত্যাগের শিক্ষা ধারণ করে একটি বৈষম্যমুক্ত, সুখী, সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলি।”
এই দিনে তিনি মহান আল্লাহর কাছে বাংলাদেশের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও উন্নতির জন্য প্রার্থনা করেন।
ঈদুল আজহা সম্পর্কে সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)❓
ঈদুল আজহা কবে পালিত হয়?
ইসলামি চান্দ্র বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ১০ জিলহজ তারিখে ঈদুল আজহা পালিত হয়। এটি হজের পরদিন অনুষ্ঠিত হয়।
ঈদুল আজহার গুরুত্ব কী?
এই দিনটি হযরত ইব্রাহীম (আ.)-এর ত্যাগের স্মৃতিকে সম্মান জানিয়ে পালিত হয় এবং মুসলমানরা কোরবানি দিয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করেন।
কোরবানির মাংস কারা পায়?
ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী কোরবানির মাংস তিনভাগে ভাগ করে আত্মীয়-স্বজন, গরিব-দুঃখী এবং নিজের পরিবারের মধ্যে বণ্টন করা হয়।
ঈদুল আজহা কীভাবে সাম্য ও ঐক্য প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে?
কোরবানির মাধ্যমে ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবাই একসঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেয়, যা সামাজিক সাম্য ও ভ্রাতৃত্বকে জোরদার করে।

0 Comments