আজ- ১৯শে আশ্বিন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ শরৎকাল, ১২ই রবিউস সানি, ১৪৪৭ হিজরি, ৪ঠা অক্টোবর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার.
নারী বিশ্বকাপ উদ্বোধনীতে ঝড় তুললেন নুওয়ান্ধিকা সেনারত্নে
নারী বিশ্বকাপ উদ্বোধনীতে শ্রীলঙ্কার জাতীয় সংগীত গেয়ে ভাইরাল হলেন নুওয়ান্ধিকা সেনারত্নে। জেনে নিন তার জীবন ও সংগীত ভুবনের গল্প।
![]() |
| নারী বিশ্বকাপ উদ্বোধনীতে ঝড় তুললেন নুওয়ান্ধিকা সেনারত্নে |
এশিয়া কাপ শেষ হলেও ক্রিকেটপ্রেমীদেরোমাঞ্চ যেন থেমে নেই। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ভারত-শ্রীলঙ্কা ম্যাচ দিয়ে শুরু হয়েছে নারীদের ওয়ানডে বিশ্বকাপের ১৩তম আসর। উদ্বোধনী ম্যাচে শ্রদ্ধার সঙ্গে পরিবেশিত হয় দুটি জাতীয় সংগীত। ভারতের ‘জন গণ মন’ গেয়ে শুরুর সুর ছড়িয়ে দেন শ্রেয়া ঘোষাল, আর শ্রীলঙ্কার ‘শ্রীলঙ্কা মাতা’ গেয়ে মুহূর্তেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন এক নতুন মুখ—নুওয়ান্ধিকা সেনারত্নে।
কে এই নুওয়ান্ধিকা সেনারত্নে?
শ্রীলঙ্কার সংগীত অঙ্গনে নুওয়ান্ধিকা সেনারত্নে বেশ পরিচিত নাম হলেও বিশ্বকাপ মঞ্চে তার পরিচয় নতুনভাবে ধরা দিলো ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে।
তিনি মূলত একজন প্লেব্যাক সিঙ্গার।
সোপ্রানো অপেরা ও গজল পরিবেশনায়ও সমান দক্ষ।
জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো দোরানা ড্রিম স্টার–এর নবম মৌসুমে প্রথম রানারআপ হন।
তার কণ্ঠের স্বচ্ছতা ও নিখুঁত ভোকাল কন্ট্রোল শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছে।
ব্যক্তিগত জীবন ও শিক্ষা
জন্ম: ১৯৯৩ সালের ২৩ জুন
শিক্ষা: কলম্বোর University of the Visual and Performing Arts (UCPA) থেকে ওয়েস্টার্ন মিউজিকে Bachelor of Performing Arts (Honors)
বর্তমানে: University of Melania–তে সংগীতে এমফিল করছেন
উইকিপিডিয়ার তথ্যানুযায়ী, শৈশব থেকেই সংগীতে গভীর আগ্রহ তার জীবনকে এই শিল্পের পথে নিয়ে এসেছে।
ভাইরাল মুহূর্ত: কেন এত আলোচনা?
নুওয়ান্ধিকার কণ্ঠে শ্রীলঙ্কার জাতীয় সংগীত পরিবেশন যখন সম্প্রচার হয়, সামাজিক মাধ্যমে মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে সেই ভিডিও।
নিখুঁত সুর ও কণ্ঠনিয়ন্ত্রণে বিস্মিত হয়েছেন শ্রোতারা।
অনেকেই মন্তব্য করেছেন—“তার ভোকাল ক্যারিশমা যেন এক আশ্চর্যের চেরাগ।”
উদ্বোধনী ম্যাচের চেয়েও বেশি ভাইরাল হয়েছে তার পরিবেশনা।
শ্রেয়া ঘোষাল বনাম নুওয়ান্ধিকা: ভিন্ন মঞ্চে সমান প্রভাব
শ্রেয়া ঘোষালের কণ্ঠ ভারতীয় সংগীতপ্রেমীদের কাছে আগে থেকেই পরিচিত। বিশ্বকাপের থিম সংও তার গাওয়া। তবে, একই মঞ্চে শ্রীলঙ্কান সংগীতশিল্পী নুওয়ান্ধিকার আবির্ভাব ছিল চমকপ্রদ।
শ্রেয়া মুগ্ধ করেছেন পরিচিত সুরে।
নুওয়ান্ধিকা নতুন শিল্পী হিসেবে এনে দিয়েছেন ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতা।
দুজনের পরিবেশনা মিলিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে স্মরণীয়।
সংগীতজীবনের প্রভাব
নুওয়ান্ধিকা শুধু লঙ্কান সংগীতেই সীমাবদ্ধ নন। তার বহুমাত্রিক পরিবেশনা বিশ্ব সংগীতাঙ্গনেও সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করছে।
প্লেব্যাক গান
সোপ্রানো অপেরা
গজল
এসব ঘরানায় তার কণ্ঠ ইতিমধ্যেই আলাদা অবস্থান তৈরি করেছে।
FAQ Section (SEO Friendly)
প্রশ্ন ১: নারী বিশ্বকাপের উদ্বোধনীতে শ্রীলঙ্কার জাতীয় সংগীত কে গেয়েছেন?
উত্তর: শ্রীলঙ্কান কণ্ঠশিল্পী নুওয়ান্ধিকা সেনারত্নে উদ্বোধনীতে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন।
প্রশ্ন ২: নুওয়ান্ধিকা সেনারত্নে কে?
উত্তর: তিনি একজন শ্রীলঙ্কান প্লেব্যাক সিঙ্গার, অপেরা ও গজল শিল্পী এবং দোরানা ড্রিম স্টার রিয়েলিটি শো-তে প্রথম রানারআপ।
প্রশ্ন ৩: নুওয়ান্ধিকা সেনারত্নে কোথায় পড়াশোনা করেছেন?
উত্তর: তিনি কলম্বোর University of the Visual and Performing Arts থেকে ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং বর্তমানে কেলানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগীতে এমফিল করছেন।
প্রশ্ন ৪: নারী বিশ্বকাপের থিম সং কে গেয়েছেন?
উত্তর: নারী বিশ্বকাপের থিম সং গেয়েছেন ভারতীয় শিল্পী শ্রেয়া ঘোষাল।
প্রশ্ন ৫: নুওয়ান্ধিকার পরিবেশনা কেন ভাইরাল হয়েছে?
উত্তর: নিখুঁত কণ্ঠনিয়ন্ত্রণ, ভোকাল ক্যারিশমা এবং আবেগময় পরিবেশনার জন্য সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে তার গান।
নারী বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ হয়তো মাঠের খেলায় নতুন গল্প লিখবে, তবে নুওয়ান্ধিকা সেনারত্নের কণ্ঠ ইতিমধ্যেই কোটি হৃদয়ে ছুঁয়ে গেছে। নিখুঁত কণ্ঠনিয়ন্ত্রণ, আবেগময় পরিবেশনা ও ক্যারিশমাটিক ভোকালের জন্য তিনি এখন ভাইরাল সেনসেশন। বলা যায়, ক্রিকেট মাঠে সংগীতের এক নতুন নক্ষত্রের আবির্ভাব হলো শ্রীলঙ্কার এই কণ্ঠশিল্পীর মাধ্যমে।
আপনার কি মনে হয়, বিশ্বকাপ মঞ্চে এ ধরনের সংগীত পরিবেশনা খেলাধুলার আবেগ আরও বাড়িয়ে দেয়? মন্তব্যে জানাতে ভুলবেনা।

0 Comments