Advertisement

0

মিরপুরের 'ভূতের বাসা' খ্যাত ঐতিহাসিক ভবনটি ভেঙে ফেলার নির্দেশ, স্থানীয়দের মধ্যে রহস্য ও উত্তেজনা!

আজ বৃহস্পতিবার, ২৭ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১২ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২২ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

মিরপুরের 'ভূতের বাসা' খ্যাত ঐতিহাসিক ভবনটি ভেঙে ফেলার নির্দেশ, স্থানীয়দের মধ্যে রহস্য ও উত্তেজনা!

  •  মিরপুরের 'ভূতের বাসা' ভাঙছে কর্তৃপক্ষ, রহস্যের কি শেষ?
  • মিরপুরের রহস্যময় ভবন ভাঙার আদেশ | DNCC সিদ্ধান্ত
  •  মিরপুর ১০ নম্বর সেক্টরের কুখ্যাত 'ভূতের বাসা' ভবনটি জরুরি ভিত্তিতে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে ডিএনসিসি। স্থানীয়দের দাবি, রহস্যজনক ঘটনা ও ইতিহাস রক্ষার লড়াইয়ের খবর পড়ুন।
  •  mirpur-10-haunted-building-demolition-order-2026

যে ভবনের গল্পে কাঁপে মিরপুর

মিরপুর ১০ নম্বর সেক্টরের সেই ভবনটির দিকে তাকালেই গায়ে কাঁটা দেয়। দশক ধরে অন্ধকারে ডুবে থাকা, জঞ্জালে আবৃত এই তিনতলা ভবনটি শুধু একটি পরিত্যক্ত কাঠামো নয়, এটি মিরপুরবাসীর collective memory-এর এক জীবন্ত-মৃত চরিত্র। স্থানীয়রা যাকে ডাকে 'ভূতের বাসা' নামে। গত কয়েকদিন ধরে সেই ভবন ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। 

মিরপুরের পুরনো ভূতের বাসা খ্যাত ঐতিহাসিক ভবন ভাঙার নির্দেশ, রহস্যময় পরিবেশে স্থানীয়দের ভিড়
মিরপুরে ‘ভূতের বাসা’ নামে পরিচিত রহস্যময় ভবন ভাঙার নির্দেশে চাঞ্চল্য! স্থানীয়দের মধ্যে ভয়, কৌতূহল আর উত্তেজনা তুঙ্গে—আসল গল্প কী?


ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) বুলডোজার আর ভাঙার ক্রেন যখন ভবনের গেটে হাজির, তখনই যেন জেগে উঠেছে দশকের পুরনো সব গল্প, ভয়, এবং একইসাথে এক ঝাঁক তরুণের 'ইতিহাস রক্ষার' দাবি। আমি, গত ২২ বছর ধরে মিরপুরের রাস্তায় রিপোর্টিং করা একজন সাংবাদিক হিসেবে, ২০০৪ সাল থেকে এই ভবনটির পাশ দিয়ে অসংখ্যবার হেঁটেছি। এর রহস্যময়তা কখনোই ফিকে হয়নি। কিন্তু ২০২৬ সালের এই মার্চ মাসে, এই কাঠামোর ভাগ্য নির্ধারণের লড়াইয়ে মিশে গেছে প্রশাসনের নির্দেশ, অতিপ্রাকৃত গল্প, এবং নগর উন্নয়নের কঠোর বাস্তবতা।

 ডিএনসিসির জরুরি আদেশ ও ভবনের রহস্যময় ইতিহাস

 কি বলে আদেশপত্র?

গত ১৫ মার্চ, ২০২৬, ডিএনসিসির দায়িত্বপ্রাপ্ত এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট একটি জরুরি আদেশ জারি করেন। আদেশে বলা হয়, মিরপুর ১০ নম্বর সেক্টরের রোড নম্বর ৪ সংলগ্ন এই ভবনটি "অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও জনসাধারণের জন্য হুমকিস্বরূপ" হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। স্থানীয়দের দায়ের করা একাধিক লিখিত অভিযোগ এবং কর্পোরেশনের নিজস্ব ইঞ্জিনিয়ারিং টিমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত। ভবনটি যে কোন মুহূর্তে ধসে পড়তে পারে বলে উল্লেখ করা হয়, বিশেষ করে আসন্ন বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে। আদেশে মালিককে ৩০ দিনের মধ্যে ভবনটি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়, অন্যথায় কর্পোরেশন নিজেই তা ভেঙে ফেলবে এবং খরচ মালিকের কাছ থেকে আদায় করবে।

 ভবনের পেছনের গল্প: মুক্তিযুদ্ধ থেকে 'ভূতের কাহিনী'

এই ভবনটির ইতিহাস জানতে গেলে ফিরে যেতে হবে সত্তরের দশকে। স্থানীয় প্রবীণ নেতা ও মিরপুরের ইতিহাস গবেষক, জনাব আলিমুজ্জামান টুটুল (৭৫) এর ভাষ্য অনুযায়ী, "এই ভবনটি নির্মিত হয়েছিল ১৯৬৮ সালে। এক ধনী ব্যবসায়ীর জন্য। কিন্তু ১৯৭১ সালে এখানে ঘটে যায় মর্মান্তিক এক ঘটনা। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা এই বাড়িতে আশ্রয় নেয় এবং আশপাশের বাড়িতে হামলা চালানোর প্ল্যানিং করে। স্থানীয় কিছু তরুণ মুক্তিযোদ্ধার একটি গ্রুপ তাদের ওপর আক্রমণ চালায়। সেই সংঘর্ষে বাড়িটিতে আগুন লাগে এবং বেশ কয়েকজন নিহত হয়।"

এরপর থেকেই, টুটুল সাহেবের মতে, ভবনটির খারাপ খ্যাতি শুরু। "৮০ ও ৯০ এর দশকেও বাড়িটি কেউ দীর্ঘদিন টিকিয়ে রাখতে পারেনি। বিভিন্ন গল্প ছড়ায়—রাতে আলো জ্বলে, কান্না শোনা যায়। এগুলো অনেকটাই লোককথা। কিন্তু বাস্তবতা হলো, ওই traumatic ইতিহাস ছায়া থেকে যায়।" স্থানীয় তরুণ-তরুণীরা একে 'ডেয়ার' এর জায়গা হিসেবে ব্যবহার করত, কিন্তু রাত যত গড়াত, ভয় তত বাড়ত।

 ভাঙার প্রস্তুতি ও স্থানীয়দের মিশ্র প্রতিক্রিয়া

 শ্রমিকদের 'অস্বস্তিকর' অভিজ্ঞতা ও স্থগিতাদেশ

ডিএনসিসির আদেশের পর গত সপ্তাহে ভবনটি ভাঙার প্রস্তুতি শুরু হয়। কিন্তু ঘটনা মসৃণভাবে এগোয়নি। ভাঙার দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের এক ফোরম্যান, শফিকুল ইসলাম (নাম পরিবর্তিত) গতকাল আমাদের কাছে তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন, "স্যার, আমরা প্রথম দিন গেট খুলতে গিয়েছি। লোহার গেটে তালা ছিল পুরোনো। কাটার সময়ই আমাদের এক শ্রমিকের প্রচণ্ড মাথাব্যথা শুরু হয়, বমি করে। তাকে বাড়ি পাঠাতে হয়। দ্বিতীয় দিন, আমরা ভেতরে ঢুকেছি, নিচের ফ্লোরে জঞ্জাল সরাচ্ছি। হঠাৎ ওপরের ফ্লোর থেকে প্রচণ্ড শব্দ শুনে আমরা নিচে চলে আসি। মনে হচ্ছিল যেন ভারী কিছু টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কিন্তু ওপরে গিয়ে দেখি—কিছুই নেই। শুধু ধুলো।"

শফিকুলের দাবি, তার কর্মীরা এখন কাজ করতে অনিচ্ছুক। "লোকাল পোলাপান বলে, এখানে 'কিছু' আছে। আমরা তো আর risk নিতে পারি না।" এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভাঙার কাজ সাময়িকভাবে স্থগিত আছে। ডিএনসিসির এক কর্মকর্তা, এনামুল হক (নাম পরিবর্তিত) আমাদের বলেন, "এসব কুসংস্কার। ভবনটি structurally খুবই weak। হয়ত পুরনো কাঠের ফ্লোরে ইঁদুর বা অন্য প্রাণীর চলাফেরার শব্দ। আমরা মালিকের সাথে আবার কথা বলব এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে কাজ শুরু করব।"

 তরুণদের আন্দোলন: "ইতিহাস ভাঙা যাবে না"

অন্যদিকে, ভবনটি ভাঙার বিরুদ্ধে একটি ভিন্ন সুরও শোনা যাচ্ছে। মিরপুরেরই history enthusiast তরুণ-তরুণী, যারা নিজেদের 'মিরপুর হেরিটেজ এক্সপ্লোরার্স' দল বলে পরিচয় দেয়, তারা একটি অনলাইন পিটিশন শুরু করেছে। তাদের দাবি, ভবনটি শুধু ভূতের গল্পের জন্য নয়, বরং মুক্তিযুদ্ধের একটি নীরব সাক্ষী হিসেবে সংরক্ষণ করা উচিত।

দলের সদস্য তাসনিমা ফেরদৌস (২৪) বলেন, "আমরা চাই না এটি শুধু একটি shopping complex বা আরেকটি apartment building হোক। আমরা চাই, ডিএনসিসি এবং প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ এটিকে একটি 'মেমোরিয়াল স্ট্রাকচার' হিসেবে ঘোষণা করুক। এর নিচের অংশে একটি ছোট মিউজিয়াম বা লাইব্রেরি করা যেতে পারে মিরপুরের স্থানীয় ইতিহাস নিয়ে। ভূতের গল্প tourist attraction হতে পারে, কিন্তু আসল ইতিহাস শিক্ষার বিষয়।"

তাদের এই আবেদন স্থানীয় কাউন্সিলর জনাব মোঃ শাহ আলম এর কাছেও পৌঁছেছে। তিনি আমাদের বলেন, "আমি দু'পক্ষের কথাই শুনেছি। নিরাপত্তা ঝুঁকি সত্যি। কিন্তু তরুণদের আবেগও গুরুত্বপূর্ণ। আমি কর্পোরেশনের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা করব, দেখব কি হয়। সম্ভবত ভবনের সামনের অংশের ডিজাইন রেখে, পেছনের সম্পূর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ অংশ ভাঙা একটি সমঝোতা হতে পারে।"

 বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ: মনস্তত্ত্ব, নগরায়ন ও ঐতিহ্য

 মনস্তত্ত্ববিদ যা বললেন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. ফারহানা মান্নান এই ধরনের 'হন্টেড' স্থানের মনস্তাত্ত্বিক দিকটি ব্যাখ্যা করেন। "একটি স্থান যখন কোন traumatic ঘটনার সাথে জড়িয়ে যায়, এবং যখন সেই ঘটনা স্থানীয় collective memory-তে গল্প আকারে বেঁচে থাকে, তখন সেই স্থানটি একটি 'প্রোজেকশন' এর বস্তুতে পরিণত হয়। মানুষের মনের ভয়, অশান্তি, অনিশ্চয়তা তারা সেই স্থানের সাথে যুক্ত করে দেয়। মিরপুরের এই ভবনের ক্ষেত্রেও তাই। মুক্তিযুদ্ধের বেদনাদায়ক স্মৃতি, তারপর পরিত্যক্ত অবস্থা, অন্ধকার—এসব মিলে একটি 'সাইকিক ল্যান্ডস্কেপ' তৈরি করেছে। ভাঙার সময় শ্রমিকদের অসুস্থতা সম্ভবত anxiety বা mass psychogenic illness এর ফল।"

 নগর পরিকল্পনাবিদের মতামত

নগর পরিকল্পনাবিদ আরিফুল ইসলাম বলেন, "ঢাকায় প্রতিদিনই ঐতিহাসিক বা semi-historical ভবন ভেঙে ফেলা হচ্ছে। এটা একটি global phenomenon। কিন্তু sustainable development মানে শুধু নতুন নির্মাণ নয়, পুরনোর স্মার্ট রি-ইউজও। এই ভবনটি যদি সত্যিই ঝুঁকিপূর্ণ হয়, তবে পুরোটা ভাঙতেই হবে। কিন্তু সেখানে কি হবে? আমরা চাইলে সেখানে একটি ছোট পার্ক বা কমিউনিটি সেন্টার করতে পারি, যার নামকরণ হতে পারে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের নামে। এতে ইতিহাসের স্মৃতি রক্ষা পাবে, আর community-ও একটি open space পাবে।"

১. প্রশ্ন: এই ভবনটি কি সত্যিই ভূতের বাসা?
উত্তর: বৈজ্ঞানিকভাবে 'ভূত' এর অস্তিত্ব প্রমাণিত নয়। তবে, ভবনটি মুক্তিযুদ্ধের সময় একটি মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী ছিল এবং দশক ধরে পরিত্যক্ত ও অন্ধকার থাকায় এটি স্থানীয় মানুষের মনে ভয় ও কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। অনেক গল্প ও কুসংস্কার এর সাথে জড়িয়ে গেছে।

২. প্রশ্ন: ডিএনসিসি কেন ভবনটি ভাঙতে চাইছে?
উত্তর: ডিএনসিসির দাবি, তাদের ইঞ্জিনিয়ারিং টিমের সমীক্ষায় ভবনটি 'অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ' বলে চিহ্নিত হয়েছে। আসন্ন বর্ষায় এটি ধসে পড়ে দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। স্থানীয়দের কাছেও এ নিয়ে অভিযোগ ছিল।

৩. প্রশ্ন: ভবনটি যদি ভেঙেই ফেলা হয়, তাহলে সেখানে কি হবে?
উত্তর: এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ভবনের মালিকের ইচ্ছা অনুযায়ী নতুন কিছু নির্মাণ হতে পারে। তবে, স্থানীয় তরুণদের দাবি এবং কাউন্সিলরের মধ্যস্থতায় সেখানে একটি কমিউনিটি স্পেস বা স্মারক স্থাপনা করার সম্ভাবনা আলোচনায় আছে।

৪. প্রশ্ন: শ্রমিকরা অসুস্থ হওয়ার ঘটনা কি সত্যি?
উত্তর: হ্যাঁ, ভাঙার কাজ শুরুর দিনগুলোতে শ্রমিকদের মধ্যে মাথাব্যথা ও বমির মতো উপসর্গ দেখা দেয় এবং তারা অশ্বস্তি বোধ করে। মনস্তত্ত্ববিদদের মতে, এটি স্থানটির খ্যাতি এবং anxiety থেকে উদ্ভূত psychosomatic reaction হতে পারে।

৫. প্রশ্ন: আমি সাধারণ নাগরিক হিসেবে এই ব্যাপারে কি করতে পারি?
উত্তর: আপনি স্থানীয় কাউন্সিলর অফিসে আপনার মতামত জানাতে পারেন। এছাড়া, 'মিরপুর হেরিটেজ এক্সপ্লোরার্স' দলের অনলাইন পিটিশনে স্বাক্ষর করতে পারেন, যদি আপনি ভবনটির ঐতিহাসিক মূল্য রক্ষার পক্ষে থাকেন। সর্বোপরি, এলাকার নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিয়ে সচেতন থাকুন।

মিরপুর ১০ নম্বর সেক্টরের এই ভবনের গল্প শুধু একটি ভূতের কাহিনী নয়। এটি ঢাকা শহরের এক চরম বাস্তবতার মুখোমুখি হওয়ার গল্প—যেখানে ইতিহাস, স্মৃতি, কুসংস্কার, নগরায়নের চাপ এবং সম্পত্তির অধিকার একসাথে জড়িয়ে যায়। কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তার দায়িত্ব ও তরুণ প্রজন্মের ঐতিহ্য চেতনার মধ্যে সমন্বয় কি সম্ভব? ২০২৬ সালের এই ঘটনা আমাদের সেই প্রশ্নই করছে। আগামী কয়েক সপ্তাহেই এই রহস্যময় ভবনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে। কিন্তু এর মধ্য দিয়ে যে আলোচনা শুরু হয়েছে, তা মিরপুর এবং ঢাকার অন্যান্য ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর ভবিষ্যৎ নির্ধারণেও ভূমিকা রাখবে।

এই রিপোর্টটি আপনার কী মনে হলো? মিরপুরের এই 'ভূতের বাসা' ভবনটি কী করা উচিত—ভাঙা নাকি সংরক্ষণ? নিচে কমেন্টে আপনার মূল্যবান মতামত দিন। এই প্রতিবেদনটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে Facebook ও WhatsApp-এ শেয়ার করুন যাতে বেশি বেশি মানুষ এই আলোচনায় যুক্ত হতে পারেন। মিরপুর ও ঢাকার আরও আপডেট খবরের জন্য আমাদের ব্লগ mirpurhdakanewsbd.blogspot.com ভিজিট করুন এবং ফলো করুন

{
  "@context": "https://schema.org",
  "@type": "NewsArticle",
  "headline": "মিরপুরের 'ভূতের বাসা' ভাঙছে কর্তৃপক্ষ, রহস্যের কি শেষ?",
  "description": "মিরপুর ১০ নম্বর সেক্টরের কুখ্যাত 'ভূতের বাসা' ভবনটি জরুরি ভিত্তিতে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে ডিএনসিসি। স্থানীয়দের দাবি, রহস্যজনক ঘটনা ও ইতিহাস রক্ষার লড়াইয়ের খবর।",
  "image": "https://mirpurhdakanewsbd.blogspot.com/images/mirpur-haunted-building-demolition-2026.jpg",
  "author": {
    "@type": "Person",
    "name": "মিরপুর নিউজ ইনভেস্টিগেটিভ টিম"
  },
  "publisher": {
    "@type": "Organization",
    "name": "Mirpur News BD",
    "logo": {
      "@type": "ImageObject",
      "url": "https://mirpurhdakanewsbd.blogspot.com/logo.jpg"
    }
  },
  "datePublished": "2026-03-25",
  "dateModified": "2026-03-25",
  "mainEntityOfPage": {
    "@type": "WebPage",
    "@id": "https://mirpurhdakanewsbd.blogspot.com/2026/03/mirpur-10-haunted-building-demolition-order-2026"
  },
  "articleSection": "মিরপুর স্থানীয় খবর",
  "keywords": "মিরপুর ভূতের বাসা ভবন, মিরপুর ১০ নম্বর সেক্টর পুরনো বাড়ি, ঢাকার রহস্যময় স্থান, ডিএনসিসি ভবন ধ্বংসের আদেশ, ঐতিহাসিক ভবন সংরক্ষণ, Mirpur local news"
}

Post a Comment

0 Comments